ইয়েমেনের প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসে সৌদি জোটের বিমান হামলা

বিদেশ ডেস্ক
০৭ মে ২০১৮, ২০:৩৬আপডেট : ০৭ মে ২০১৮, ২০:৪৯

সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হামলায় ইয়েমেনের প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার ইয়েমেনের রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে থাকা রাষ্ট্রপতি ভবনের ওপর বিমান থেকে করা বোমা হামলায় অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স হুথি সমর্থিত সাংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানিয়েছে, এর পাশাপাশি আহত হয়েছে ৩০ জনেরও বেশি। ইয়েমেনের প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেস হুথিদের দখলে ছিল। হামলার সময় সেখানে দুজন হুথি নেতার থাকার দাবি করেছে আবুধাবিভিত্তিক আরেকটি সংবাদমাধ্যম। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দমনে ইয়েমেন সরকারকে সহায়তা করছে সৌদি আরব। ২০১৫ সালে সৌদি আরব যখন ইয়েমেন যুদ্ধে জড়ায় তখন হুথিদের হাতেই ছিল রাজধানী সানার বেশিরভাগ এলাকা। দেশটির সরকার হুথিদের কারণে নির্বাসনে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

সোমবারের হামলা সম্পর্কে হুথি বিদ্রোহীদের সংবাদমাধ্যম সাবা নিউজ এজেন্সি বলেছে, দুইটি বিমান হামলায় প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসসহ নিকটবর্তী বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধংস হয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট প্যালেসটি সানার কেন্দ্রস্থলে থাকা ‘তাহরির ডিসট্রিক্টে’ অবস্থিত।

আবুধাবিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ অ্যারাবিয়া দাবি করেছে, বিমান হামলার সময়ে প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসে গুরুত্বপূর্ণ হুথি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এদের একজন মোহাম্মদ আলি আল-হুথি। তিনি সুপ্রিম রেভ্যুলেশনারি কমিটির প্রধান। দুইজন নেতার ওখানে থাকার কথা জানালেও হামলার পর তাদের পরিণতি কী হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলেনি স্কাই নিউজ অ্যারাবিয়া।

বার্তাসংস্থা এএফপিকে প্রত্যক্ষদর্শী আহমেদ দেহাশির জনিয়েছেন, ‘আমরা প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসের পাশেই ছিলাম। প্রথমে বিমানের শব্দ শুনলাম, আর তারপর বিস্ফোরণের। ঘটনাস্থলে ছুটে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তুপ এবং তার নিচে চাপা পড়া মানুষদের দেখতে পেলাম। আমরা কয়েকজনকে সেখান থেকে উদ্ধার করেছি। তবে এখনও ধ্বংসস্তুপের নিচে অনেকে চাপা পড়ে রয়েছে।’

/এএমএ/
সম্পর্কিত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
কট্টরপন্থী ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
কট্টরপন্থী ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু
রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম