ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্য সিরিয়া না কি ইরান?

বিদেশ ডেস্ক
২৩ জুলাই ২০১৮, ১৬:৩৯আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৮, ১৬:৫০

সিরিয়ার সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সানা জানিয়েছে, ইসরায়েলি জঙ্গি বিমান দেশটির হামা প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। এক মাসের মধ্যে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ইসরায়েলি হামলার অভিযোগ করল সিরিয়া। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডিল ইস্ট আই লিখেছে, ইসরায়েল যে স্থানে হামলা চালিয়েছে সেখানে আসলে কি ছিল, তা স্পষ্ট ভাবে না জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের মতে, ইসরায়েলি হামলার শিকার স্থানটিতে রাসায়নিক অস্ত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান ছিল সিরীয় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে। ওপর একটি সূত্রের দাবি, ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানিদের তত্ত্বাবধানে থাকা একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাগার। ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্য সিরিয়া না কি ইরান?

সিরিয়ার সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সানা রবিবার জানিয়েছে, হামা প্রদেশের মিসিয়াফ শহরে অবস্থিত সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলাটি চালানো হয়েছে। এতে হতাহতের কোন খবর দেয়নি সানা। শুধু স্থাপনার ক্ষতি হওয়ার কথা জানিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেতজ জানিয়েছে, গত বছরও ওই স্থানে একবার হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। আর এবারের হামলার সময় সেখানে ছিল ইরানিদের উপস্থিতি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের’ প্রধান রামি আব্দেল রহমান বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, বিমান হামলার স্থানটিতে একটি ওয়ার্কশপ ছিল। ইরানিরা সেখানে ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন তদারকি করছিল।  ইরানি সেনাবাহিনী ও লেবাননের হেজবুল্লাহর সদস্যদের ওই সেক্টরে মোতায়েন করা রাখা হয়েছিল। লেবাননভিত্তিক মায়েদিন চ্যানেল জানিয়েছে, ইসরায়েলি জঙ্গি বিমান লেবাননের আকাশ সীমা থেকেই সিরিয়ায় থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

ইসরায়েল নাইরাব বিমান বন্দরের কাছে অবস্থিত একটি সিরীয় বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল। বিমান বন্দরটি আলেপ্পো শহরের কাছে ইসরায়েল। কিন্তু অন্য সূত্রগুলো ওই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছে, হামলাটি হয়েছে ইরানিদের ওপর। স্থানটি ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ডের নিয়ন্ত্রণে ছিল। হামলায় কয়েকজন ইরানি সেনা নিহত হয়েছেন। গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে মিডিল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, সিরিয়াতে অবস্থিত অনেকগুলো ইরানি স্থাপনা কার্যত সিরীয় সেনাবাহিনীর অবস্থানের লাগোয়া।

২০১১ সাল থেকে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত সিরিয়ার ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদকে সমর্থন দিচ্ছে রাশিয়া ও  ইরান। অন্যদিকে ওই অঞ্চলে ইরান ও ইরান সমর্থিত হেজবুল্লাহর উপস্থিতিতে নিরাপত্তা শঙ্কায় ভুগছে ইসরায়েল।

/এএমএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম