উপসাগরীয় অঞ্চলে আগামী দিনগুলোতে বড় ধরনের সামরিক মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এসব মহড়ায় সময়সূচি এগিয়ে নিয়ে এসেছে তেহরান। এতে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এখবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের ঘটনায় অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসছে ইরান। সম্প্রতি উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে উত্তেজিত কথার লড়াই শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে পুনরায়। আর ইরান পাল্টা হুমকি দিয়ে বলে আসছে, তাদের তেল রফতানিতে বাধা দেওয়ার কোনও পদক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। এই পরিস্থিতি ইরানের বড় ধরনের সামরিক মহড়ার প্রস্তুতির কথা জানালেন মার্কিন কর্মকর্তা।
মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালীসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর মধ্যপ্রাচ্য কর্মকাণ্ড তদারকি করা সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান মুখপাত্র নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন বিল আরবান বলেন, আরব উপসাগর, হরমুজ প্রণালী এবং ওমান উপসাগরে ইরানের নৌবাহিনীর ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি সম্পর্কে আমরা অবহিত। আমরা ঘনিষ্ঠভাবে এতে নজর রাখছি। আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যের প্রবাহ ও মুক্ত নৌ চলাচল অব্যাহত রাখতে আমরা অংশীদারদের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রেখেছি।
ইরানের মহড়া সম্পর্কে তথ্য জানাতে অস্বীকৃতি জানান এই মার্কিন কর্মকর্তা। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ইরানের সেনাবাহিনী মহড়ার জন্য ১০০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ প্রস্তুত করেছে। এতে শতাধিক পদাতিক সেনাও যুক্ত থাকবে। তাদের মতে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে নির্দিষ্টভাবে কখন শুরু হবে তা নিশ্চিত করতে পারেননি এই কর্মকর্তা।








