তথ্য বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সরঞ্জামে বিশেষজ্ঞ ইসরায়েলের গোয়েন্দা ও বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলো সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় (জিসিসি) দেশগুলোর কাছে পণ্য রফতানির কথা প্রকাশ করেছে। জর্ডান ও মিসরের সঙ্গে বাণিজ্য করার কথাও জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর এখবর জানিয়েছে।
গোয়েন্দা তথ্যবিষয়ক হিব্রু ভাষার ওয়েবসাইট ভালাহ এফএম ইসরায়েলের ব্যবসায়ী ও ইন্টুভিউয়ের মালিক স্যামুয়েল বারে জানান, ইসরায়েলকে আরব দেশগুলো বাস্তবে বয়কট করছে না।
স্যামুয়েল আরও বলেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় আমাকে সৌদি আরবে রফতানির অনুমতি দিয়েছে।
দুই বছর আগে সৌদি আরবের কর্মকর্তারা স্যামুয়েলের কোম্পানি সফর করেন কয়েকবার। তারা সৌদি বাদশার পক্ষে গোয়েন্দা তথ্য কিনতে চাইছিলেন।
ইন্টুভিউ একটি ইসরায়েলি ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি। এটি তেল আবিবে ইসরায়েলি বসতি হারজিলা অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কাছে এটি নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিক্রি করে।
ভালাহ এফএম আরও লিখেছে, দুই বছর আগে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি অস্ত্রচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি মোতাবেক ইসরায়েলি ড্রোন সৌদি আরবের বিক্রি করা হয়। কিন্তু তা পাঠানো হয় দক্ষিণ আফ্রিকা হয়ে, যাতে করে বিক্রেতা দেশের পরিচয় প্রকাশ না পায়।
ইসরায়েলি কোম্পানি আরব মার্কেটের সিইও আইরিন মেলোউল জানান, জিসিসি দেশ এবং জর্ডান ও মিসরের সঙ্গে তাদের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড রয়েছে। সৌদি আরব তাদের বড় বাজার বলে জানান তিনি।
মারিভ কোম্পানির নিরাপত্তা ও সামরিক বিশ্লেষক ইয়োসি মেলম্যান এশিয়া গ্লোবাল টেকনোলজিকে নিশ্চিত করেছেন তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য কোটি ডলারের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এই মারিভ কোম্পানিটি ইসরায়েলি-আমেরিকান ব্যবসায়ী মাটি কোচাভির মালিকানাধীন।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ইসরায়েলকে বয়কটে আরব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েল সৌদি আরবের কাছে সামরিক সেবা বিক্রি করছে, তেলের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এমনকি উপসাগরীয় দেশগুলোতে ব্যক্তিগত দেহরক্ষীও দিচ্ছে ইসরায়েল।








