তেলের দাম কমিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানের জবাবে সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী খালিদ আল ফালিহ বলেছেন, তেলের দাম নির্ধারণে তিনি কোনও হস্তক্ষেপ করেন না। ওপেক ও রাশিয়ার মতো সহযোগীদের সঙ্গে সম্মেলনের আগ মুহূর্তে আলজিয়ার্সের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন খালিদ আল ফালিহ। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে এ মাসে ৮০ ডলার প্রতি ব্যারেলে উন্নীত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘আমরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে নিরাপত্তা দেই। আমরা না থাকলে তারা খুব বেশিদিন নিরাপদে থাকতে পারবে না। তারপরও দিন দিন তারা তেলের দাম বাড়িয়ে চলেছে। আমরা কিন্তু মনে রাখব। ওপেককে তেলের দাম কমাতে হবে।’
সৌদি আরব জানিয়েছে তাদের তেল উৎপাদন বাড়ানোর সক্ষমতা আছে। কিন্তু এখন এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার নেই। রাশিয়ারও একই মত। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি লিখেছে, মূলত ইরানি তেল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিণতিতেই তেলের সরবরাহ কমে গেছে এবং সেই সূত্রে দাম বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে।
ফালিহর ভাষ্য, ‘আমার কাছে যে তথ্য আছে তা হলো: বাজারে যথেষ্ঠ পরিমাণ তেলের যোগান রয়েছে এবং এমন কোনও তেল পরিশোধনাগার নেই যারা তেলের অভাবে কাজ করতে পারছে না।’
রাশিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক মনে করেন, চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধ এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক তেলের যোগান কমে যাওয়া ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী। তিনিও মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন বৃদ্ধির কোনও প্রয়োজন নেই।








