ইরাকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। রবিবার বাগদাদ ও দক্ষিণাঞ্চলে বিক্ষোভকারীদের ওপর ছোড়া নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
অক্টোবরের শুরুতে বাগদাদ ও দক্ষিণাঞ্চলে শুরু হওয়া বিক্ষোভে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৩০ জন নিহতের কথা জানা গেছে। ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ।
খবরে বলা হয়েছে, নাসিরিয়া এলাকায় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে তাজা গুলি ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ে। বিক্ষোভকারীরা তিনটি সেতুতে জড়ো হয়েছিলেন।
পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা তিনজন নিহতের কথা জানিয়েছে। তবে হাসপাতাল সূত্র গুলিবিদ্ধ আরেক ব্যক্তির মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে। তাজা গুলি ও টিয়ার গ্যাসের ক্যানিস্টারের আঘাতে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।
বসরা নগরীর কাছে উম বন্দর এলাকায় নিহত হয়েছেন দুই ব্যক্তি। এখানে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭০ জন। নিরাপত্তাবাহিনী এখানেও তাজা গুলি ছুড়েছে। বন্দর নগরীরর সড়কগুলো যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে জড়ো হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের বন্দরে প্রবেশ ঠেকাতে সবগুলো সড়কে ব্যারিকেড দেয়।
বাগদাদে বিক্ষোভে নিহত হয়েছেন এক ব্যক্তি। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তাবাহিনী তাজা গুলি ছুড়লে এই ব্যক্তি নিহত হন। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রবিবার নিরাপত্তাবাহিনীর তাজা গুলি ব্যবহারের পর বিক্ষোভ নতুন মোড় নিয়েছে। এখানে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন।








