ইরানের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা দাবি করেছেন তাদের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর। শনিবার ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেতাদের কর্মকর্তা হাসান জালিলি বলেন, এই ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবীর রক্তের নমুনায় আশাব্যঞ্জক ফলাফল দেখ গেছে। ইরান এই ভ্যাকসিনের নাম দিয়েছে কোভিরান বারেকাত। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকায় করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে অসুবিধার মুখোমুখি হচ্ছে ইরান। তারপরেও মহামারি মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করোনাভাইরাস বিষয়ক কর্মসূচী ‘কোভ্যাক্স’ এর মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে তেহরান। এছাড়া চীন ও ভারতের সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছে দেশটি। এর পাশাপাশি নিজ দেশেও ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।
গত ২৯ ডিসেম্বর প্রথমে তিনজনের ওপর ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে ইরান। এর মধ্যে একজন ছিলেন সেতাদ প্রধানের মেয়ে ও অন্য দু’জন সেতাদের দুই নির্বাহী কর্মকর্তা। জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরির জন্যই তারা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। ইতোমধ্যে আরও ৩২ জন ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। ফেব্রুয়ারির মধ্যে মোট ৫৬ জন ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
শনিবার হাসান জালিলি জানান, কোভিরান বারেকাত ভ্যাকসিন যারা গ্রহণ করেছেন তাদের রক্তের নমুনা পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ‘মানুষের ওপর পরীক্ষায় দেখা গেছে, ভ্যাকসিন নেওয়া ব্যক্তিদের রক্তের প্লাজমা যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া নতুন বৈশিষ্ট্যের ভাইরাসের বিরুদ্ধে পুরোপুরি প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম হয়েছে।’








