ইরান ও সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে চীন কিছুই ভাবছে না। আসলে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে তাদের কোনও গোপন উদ্দেশ্যও নেই। এক বিবৃতিতে শনিবার বিষয়টি খোলামেলা করে চীন সরকার।
সাত বছর পর শুক্রবার ইরান-সৌদি সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দূতাবাস পুনরায় চালুর ঘোষণাকে চীনের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পাবে বলে মনে হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রকে জানান, চীন নিজের স্বার্থের জন্য কিছু করে না। বরং সব সময় ওই অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক বিরোধিতার বিপক্ষে অবস্থান নেয়।
মুখপাত্র বলেন, ‘চীন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে মতবিরোধ নিরসনে সহায়তা করবে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পোস্ট করা বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা এই অঞ্চলের শাসক ও দেশগুলোকে সম্মান করি। আমরা মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বিরোধিতা করি সবসময়। মধ্যপ্রাচ্যে তথাকথিত শূন্যতা পূরণ করা বা একচেটিয়া ব্লক স্থাপন করার কোনো ইচ্ছা নেই চীনের। সেটা কখনও চাইবেও না।’
সূত্র:এপি









