গভীর রাতে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান ও ড্রোন হামলার জবাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। মঙ্গলবার (৯ মে) হামলায় ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের (পিআইজি) তিন নেতাসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।
হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তিনজন ইসলামিক জিহাদের আন্দোলনের সদস্যসহ আরও কয়েকজন ফিলিস্তিনি হত্যার মূল্য দিতে হবে।
বিমান হামলায় ১০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। আহত হন ২০ জনের বেশি।
ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, গাজায় হামলা পরিচালনার জন্য ৪০টি সামরিক বিমান ও ড্রোন অংশ নেয়।
আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউমনা এল সাঈদ জানান, ৯ মে স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে বোমা বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠে গাজা উপত্যাকা। বিভিন্ন আবাসিক ভবন থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ‘অপারেশন শিল্ড অ্যান্ড অ্যারো’ নামে একটি অভিযান পরিচালনা করেছে তারা। তিনজন ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের সদস্যকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়। যারা ইসরায়েলের দিকে সম্প্রতি রকেট ছোড়ার জন্য দায়ী। সম্প্রতি ইরায়েলি কারাগারে অনশনের ৮৭ দিনের মাথায় মারা যান ফিলিস্তিনের খাদের আদনান। জবাবে ইসরায়েলের দিকে রকেট ছোড়ে ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠী।









