লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহের সঙ্গে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাব্দোল্লাহিয়ান। লেবাননে অজ্ঞাত স্থানে তাদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইরানি বার্তা সংস্থার বরাতের কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
ইরানের নৌর বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়েছে, নাসরাল্লাহের সঙ্গে বৈঠকের পর বৈরুত থেকে কাতারের রাজধানী দোহার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন আমিরাব্দোল্লাহিয়ান।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাতে চার দিনের বিরতির আগে এই বৈঠক শুরু হলো। হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ৫০ জনের মুক্তির বিনিময়ে এই বিরতিতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে ইসরায়েলি কারাগারে থাকা ১৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকেও মুক্তি দেওয়া হবে।
কাতারের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা শুক্রবারের আগে কার্যকর হবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।
বৈরুতে সাংবাদিকদের ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়বে।
ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিজবুল্লাহ ৭ অক্টোবরের পর থেকে নিয়মিত ইসরায়েলি ভূখণ্ডে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আসছে। এতে গাজায় চলমান সংঘাত লেবানন সীমান্তে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
বৃহস্পতিবার সকালে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ৪৮টি কাত্যুশা রকেট নিক্ষেপ করেছে। লেবানন সীমান্ত থেকে ১০ কিলোমিটার ভেতরে সাফেদ শহরে এই ঘাঁটির অবস্থান।
গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, ইসরায়েলি অবস্থানে তারা আরও অন্তত ১০টি হামলা চালিয়েছে। এতে ইসরায়েলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছে তারা।
লেবাননের জাতীয় বার্তা সংস্থার মতে, জবাবে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক স্থানে হামলা করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।
উল্লেখ্য, হামাসের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকেও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে আসছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের অন্যান্য মিত্ররা।









