এবার দক্ষিণ গাজার কিছু অঞ্চল ছাড়তে বলছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৬:০৯আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৩, ২১:৩৭

সাতদিনের যুদ্ধবিরতির শেষে এবার দক্ষিণ গাজার কিছু অঞ্চল ছাড়তে বলেছে ইসরায়েল। খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় উড়োজাহাজ থেকে লিফলেট ফেলে বেসামরিক নাগরিকদেরকে সতর্ক করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বাসিন্দাদেরকে গাজার দক্ষিণে গাজা-মিসর সীমান্ত ক্রসিং রাফাহর দিকে সরে যেতে বলেছে ইসরায়েল। এদিকে শুক্রবার সকালে রাফাহর একটি শহরে বিমান হামলা করেছে ইসরায়েলি সেনারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

খান ইউনিসের এই হামলার প্রতিবেদন তৈরি করার সময় গাজাবাসীর আহাজারি দেখে সাংবাদিক হিন্দ খুদারি বলেন, গাজার বাসিন্দারা চিৎকার করে বলছে, আমরা কোথায় যাবো। আমাদের যাওয়ার জায়গা নেই। যুদ্ধবিরতির পর এমন অতর্কিত হামলার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না।

গাজার খান ইউনিস শরণার্থী শিবির এলাকা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে খুদারি বলেন, গাজা বাসিন্দাদের কোনও আশ্রয়স্থল নেই। এতটুকু নিরাপদ জায়গা নেই। ইসরায়েলি তাণ্ডবে সবাই বাড়ি-ঘর হারিয়েছে। হাসপাতাল ও জাতিসংঘের সুযোগ-সুবিধাগুলোতে ঘর-বাড়ি হারা হাজারো মানুষের ভিড়।

এর আগে ৭ অক্টোবর হামলা শুরুর  পর  উত্তর গাজার বাসিন্দাদের দক্ষিণে চলে আসতে বলেছিল ইসরায়েল। এবার দক্ষিণের ফিলিস্তিনিদেরও সরে যেতে বলছে তারা।

এমন পরিস্থিতিতে গাজার বিভিন্ন জায়গায় বোমা হামলা করছে ইসরায়েল বাহিনী। এখন পর্যন্ত উত্তর গাজার বেইট লাহিয়ায় দুইজন, মধ্য গাজার মাগাজিতে সাতজন, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে একজন, খান ইউনিসের দক্ষিণে হামাদ শহরে দুজন এবং মিসর-গাজা সীমান্ত রাফাহ ক্রসিংয়ের নিকট ৯জন নিহত হয়েছেন।

এদিকে, সাতদিনের যুদ্ধবিরতির শেষে পুনরায় গাজায় হামলা  শুরু করেছে  ইসরায়েল। শুক্রবার (০১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগেই রকেট ও বিমান হামলা  চালিয়ে ২১ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। 

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির আগে গাজায় টানা ৫১ দিন আগ্রাসন চালিয়ে ১৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েল। নিহতদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারী ও শিশু। নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েক হাজার।

 

/এসএইচএম/
সম্পর্কিত
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বশেষ খবর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম