লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরাল্লা বলছেন, বৈরুতে মিত্র ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের উপ প্রধানের হত্যা একটি জঘন্য অপরাধ যার পরে আমরা চুপ থাকতে পারি না। বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
নাসরাল্লাহ হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করার পাশাপাশি সালেহ আল-আরৌরির হত্যাকাণ্ডকে ইসরায়েলের প্রকাশ্যে আগ্রাসন বলে অভিহিত করেছেন। এই ঘটনা নিয়ে হামাসের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরের হামাসের কার্যালয়কে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। হামলার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন আরৌরি। পরে হামলায় আরৌরিসহ সাতজনের মৃত্যু হয়। এ বিষয় নিশ্চিত করে হামাসের সংবাদমাধ্যম।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ে এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের হামলাকে কাপুরুষোচিত বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ইসরায়েল লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। এ হামলার মধ্য দিয়ে চলমান সংঘাত আরও উসকে দিয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকেও হামলার নিন্দা জানানো হয়।
অন্যদিকে, লেবানন বলছে, এ হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হবে। তবে ইসরায়েলের সশস্ত্র বাহিনী এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া করেনি।
সালেহ আল-আরৌরি হামাসের সামরিক শাখার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং দখলকৃত গাজার পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৬৬ সালে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় জন্ম নেওয়া আরৌরি দীর্ঘ ১৫ বছর কাটিয়েছেন ইসরায়েলের কারাগারে।








