চীন একটি শান্তি সম্মেলনের ব্যবস্থা করতে পারে যেখানে রাশিয়া এবং ইউক্রেন অংশ নেবে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এই কথা বলেছেন। রাশিয়ার বার্তা সংস্থা আরআইএ ’র বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
লাভরভ বলেন, ইউক্রেন সংকট সমাধানে এ ধরনের পদক্ষেপ বেইজিংয়ের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার একটি অংশ হতে পারে।
আরআই একে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, ‘আমরা চীনের অবস্থানের সঙ্গে এক মত যে, প্রথমেই সংঘাতের মূল কারণগুলোর সমাধান করতে হবে ও সব পক্ষের আইনি স্বার্থকে রক্ষা করতে হবে। আর পরবর্তী চুক্তিগুলোর হবে সমান ও অবিভাজ্য নিরাপত্তা নীতির ভিত্তিতে।
ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তির জন্য বারবার আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। তবে দেশটির পূর্বশর্ত ছিল, ইউক্রেনে রাশিয়ার দখলকৃত আঞ্চলগুলোকে ইউক্রেন ও পশ্চিমাদের স্বীকৃতি দিতে হবে। তবে রাশিয়ার এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি।
ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে লাভরভ বলেছেন, ওয়াশিংটন ‘কিয়েভ শাসকের অপরাধে সহযোগী’ হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে ইউক্রেনে পারমাণবিক সক্ষম এফ-১৬ যুদ্ধিবিমান সরবরাহ করাকে ন্যাটোর একটি ‘সংকেতমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে বিবেচনা করে রাশিয়া।
ল্যাভরভ বলেছেন, ‘তারা আমাদের বলার চেষ্টা করছে যে, ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো কিছুতেই থামবে না।
এসময় ল্যাভরভ আরও বলেন, ‘তবুও আমরা আশা করি, রাশিয়া-বেলারুশ নন-স্ট্র্যাটেজিক পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে চলমান মহড়া আমাদের বিরোধীদের আরও পারমাণবিক বৃদ্ধির বিপর্যয়কর পরিণতির কথা মনে করিয়ে দেবে এবং তাদের মধ্যে কিছুটা বোধ জাগিয়ে তুলবে।’
মধ্যপ্রাচ্যে ল্যাভরভ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সংঘাতের আগুন ঘি ঢালছে।’








