যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন নেতানিয়াহু, সিনওয়ারের মৃত্যুর পরও শান্তির আশা ক্ষীণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৮ অক্টোবর ২০২৪, ১৮:৫১আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২৪, ১৯:২৯

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা ও লেবাননে চলমান যুদ্ধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার দিয়েছেন। এর ফলে গাজার হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার হত্যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বছরের পর বছর ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটবে বলে যে আশা করা হচ্ছিল তা কার্যত ভেস্তে গেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

বুধবার ইসরায়েলি সেনাদের একটি অভিযানের সময় গাজার অভ্যন্তরে সিনওয়ার নিহত হন। তিনি ছিলেন ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী। এই ঘটনাকে নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার রাতে ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, যুদ্ধ শেষ হয়নি এবং তা চলবে।

নেতানিয়াহু বলেন, আমাদের সামনে এখনও অনেক পথ বাকি। যুদ্ধ চলবে যতক্ষণ পর্যন্ত হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত না হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সামনে সুযোগ রয়েছে ‘অক্ষশক্তি’কে থামিয়ে এক ভিন্ন ভবিষ্যৎ নির্মাণ করার।

অক্ষশক্তি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানপন্থি বিভিন্ন মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে উল্লেখ করেছেন তিনি।

নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যের সঙ্গে পশ্চিমা নেতাদের অবস্থান সাংঘর্ষিক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ অন্যান্য নেতা সিনওয়ারের মৃত্যুকে সংঘাতের অবসানের একটি সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন। যুক্তরাষ্ট্র এখন যুদ্ধবিরতির আলোচনার পুনরুজ্জীবন এবং আটক জিম্মিদের মুক্তির লক্ষ্যে কাজ শুরুর করার কথা জানিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানান, সিনওয়ার যুদ্ধবিরতির আলোচনায় রাজি হচ্ছিলেন না এবং তার মৃত্যুর ফলে সেই প্রতিবন্ধকতা দূর হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে সিনওয়ারের স্থলাভিষিক্ত নেতা যুদ্ধবিরতির জন্য রাজি হবেন।

লেবাননে কর্মরত এক সিনিয়র কূটনীতিক রয়টার্সকে বলেছেন, আমরা আশা করেছিলাম যে সিনওয়ারের মৃত্যুর পর যুদ্ধ শেষ হবে। তবে আবারও আমাদের ভুল প্রমাণিত হতে হলো।

ইসরায়েলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মাসব্যাপী প্রচেষ্টা চালিয়েও হামাস ও হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।  

/এএ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী