গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ত্রাণ বহরের ১২ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৪৪আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৪৪

গাজা উপত্যকায় মানবিক ত্রাণ বহরের নিরাপত্তা রক্ষীদের ওপর ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ৩০ জন ফিলিস্তিনি। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দক্ষিণ গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে ত্রাণ বহরকে সুরক্ষা দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বেসামরিক রক্ষীদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি সেনারা গুলি চালালে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা ও আল জাজিরা আরবি’র প্রতিবেদক ইসরায়েলি সেনাদের গুলি চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

গাজায় স্থানীয় ফিলিস্তিনি মিডিয়া প্রকাশিত একটি ভিডিওতে খান ইউনিসের পশ্চিমে লক্ষ্যবস্তু করা ত্রাণ বহরের নিরাপত্তা রক্ষীদের মৃতদেহ মর্গে স্তূপ করে রাখা হয়েছে বলে দেখা গেছে।

চিকিৎসক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।  

গাজার উত্তর অংশে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযান এবং অবরোধের মধ্যেই এই হামলা চালানো হলো। মানবিক ত্রাণ কর্মী, ত্রাণ বহর ও সাহায্যকারী লোকজনের ওপর ইসরায়েলের ধারাবাহিক এসব হামলার ফলে এ অঞ্চলে খাদ্যের তীব্র সংকট এবং দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সবশেষ এই হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেনি ইসরায়েল।

এর আগে রবিবার রাতে, রাফাহ অঞ্চলে ময়দা কেনার জন্য লাইনে দাঁড়ানো ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালালে অন্তত ১০ জন নিহত হয়।

আল জাজিরা আরবির প্রতিবেদন অনুসারে, বৃহস্পতিবার ভোরে গাজা শহরের পশ্চিমাংশে একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ছয় জন নিহত হয়। এছাড়া নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে একটি বাড়ি লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি বোমা হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৪ হাজার ৮০৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৬ হাজার ২৫৭ জন আহত হয়েছে।

চলমান অবরোধ,ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বাধা, সিদ্ধান্ত, সাহায্য রুটে নিরাপত্তার অভাব এবং স্থানীয় পুলিশকে লক্ষ্যবস্তু করার কারণে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘ সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) ডিসেম্বরের শুরুতে প্রধান ক্রসিং পয়েন্ট দিয়ে সাহায্য বিতরণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির সহযোগী প্রশাসক হাওলিয়াং শু বলেছেন, গাজার অবস্থা তার দেখা সবচেয়ে বিধ্বস্ত এলাকা। তিনি বলেন, যে ধ্বংস আমি গাজায় দেখেছি তা আমার কর্মজীবনে আগে কখনও দেখিনি। আমি যা জানি তা হলো- গত এক মাসে গাজায় কোনও তাজা ফলমূল এবং সবজি আমদানি করা হয়নি।’

/এস/
সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম