গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস রাজি হওয়ার কথা জানালেও এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরায়েল। এ অবস্থাকে সমঝোতায় ইসরায়েলের রাজি না থাকার ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি বলেন, আমরা এখনও ইসরায়েলের কাছ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাইনি।
তিনি আরও বলেন, আমরা ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছি না। কেবল আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় আছি। একইসঙ্গে আমরা সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।
এদিকে এক সপ্তাহ আগে হামাস জানিয়েছিল, তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নিতে প্রস্তুত এবং কাতার ও মিসরকে এই বিষয়ে অবহিত করেছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ৬০ দিনের জন্য ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধ থাকবে এবং সেনারা কিছু এলাকা থেকে সরে গিয়ে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ দেবে। এই সময়ের মধ্যে জিম্মি-বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়াও শুরু হওয়ার কথা।
কাতারের মুখপাত্র বলেন, আলোচনার ভেন্যু কোথায় হবে তা কাতার বা মিসরের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। হামাস যে প্রস্তাব মেনে নিয়েছে, তা ইসরায়েল আগে মেনে নিয়েছিল। বল এখন ইসরায়েলের কোর্টে।
আল–জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রস্তাব ১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে আলোচনায় থাকলেও নতুন করে হামলা, ধ্বংসযজ্ঞ ও গাজার আরও ভূখণ্ড দখলে ইসরায়েলের পরিকল্পনা ছাড়া সমাধানের দিকে অগ্রগতি নেই।
গাজার যুদ্ধ ইতোমধ্যে ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছে কাতার।








