যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে রয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের হত্যাযজ্ঞ বন্ধে সব ধরনের বিকল্পই তাদের সামনে খোলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জানিয়ারি) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ভাষণে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ এমনটাই দাবি করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে এবং ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে সব বিকল্পই টেবিলে রয়েছে।
তিনি আরও বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কাজের মানুষ, তিনি অন্তহীন কথাবার্তার লোক না যেমনটা আমরা জাতিসংঘে দেখি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, হত্যাযজ্ঞ থামাতে সব বিকল্পই খোলা। এর জন্য আমরা নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠক আহ্বান করেছি।
এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এই বিক্ষোভগুলো বিদেশি ষড়যন্ত্র এবং সামরিক হামলার পূর্বাভাস।
ওয়াল্টজ এসব অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে বলেছেন, ইরানের শাসকরা এখন আগের চেয়ে অনেক দুর্বল। তারা নিজেদের জনগণের শক্তিকে ভয় পাচ্ছে বলেই এসব মিথ্যা কথা বলছে।
এর জবাবে ইরানের উপ-জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি বলেছেন, ইরান উত্তেজনা বা সংঘাত চায় না। তিনি ওয়াল্টজের বক্তব্যকে মিথ্যা, তথ্য বিকৃতি এবং পরিকল্পিত বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বলে আখ্যা দিয়েছেন। যার উদ্দেশ্য ইরানে সহিংসতা উসকে দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি ভূমিকা আড়াল করা।
রয়টার্সের সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানে ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প একাধিকবার বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছে ।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, তাকে জানানো হয়েছে যে হত্যাকাণ্ডের মাত্রা কিছুটা কমছে এবং এই মুহূর্তে বড় পরিসরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কোনও পরিকল্পনা ইরানের আছে বলে তিনি মনে করেন না।









