ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ কূটনীতি, তবে সামরিক বিকল্পের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৬আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩০

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ কূটনীতি। তবে আলোচনায় সমঝোতা না হলে তাঁর হাতে সামরিক বিকল্পও রয়েছে বলে সতর্ক করেছে হোয়াইট হাউজ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, আসন্ন আলোচনায় কোনও সমঝোতা সম্ভব কি না। তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।  

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, বিশ্বের যেকোনও দেশ মিত্র হোক বা প্রতিপক্ষ, সব ক্ষেত্রেই প্রেসিডেন্টের প্রথম পছন্দ কূটনীতি। তবে তিনি  জোর দিয়ে বলেছেন, ইরানের ক্ষেত্রে ট্রাম্প শূন্য পারমাণবিক সক্ষমতা চান। লেভিট আরও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট দেখতে চান আলোচনা থেকে কোনও চুক্তি বের হয় কি না, কিন্তু একই সঙ্গে ইরানকে মনে রাখতে হবে যে কূটনীতির বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আরও বিকল্প রয়েছে। 

আলোচনার এজেন্ডা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব এবং অন্যান্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত হোক। তবে ইরান বলছে, আলোচনা শুধু তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। এই মতবিরোধ আলোচনার ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। 

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তাঁর মুখপাত্র জানিয়েছেন, তেহরান ন্যায্য, সম্মানজনক ও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনায় অংশ নেবে। মাসকাটে তাঁর সঙ্গে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার ওমানের রাজধানী মাসকাটে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বাড়ানোয় অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প নিজেই এই সামরিক সমাবেশকে ‘বিশাল আর্মাদা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

/এসএসএস/
সম্পর্কিত
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু কি এখন দুই পথের পথিক?
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
সর্বশেষ খবর
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের