বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে হামলার কথা জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। তাদের দাবি, ঘাঁটিটি হামলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে প্রতিশোধ হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। খবর বিবিসির।
প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, বাহরাইনের মানামায় অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতরের নিকটবর্তী এলাকা থেকে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। হামলায় ঘাঁটিটির কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।
এছাড়া আরব আমিরাত, কাতার ও কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র সম্ভবত অঞ্চলটিতে থাকা সবচেয়ে বড় মার্কিন বিমান ঘাঁটি আল-উদেইদ লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছিলো।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও সম্পদ লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। এ অভিযানকে ‘ট্রুথফুল প্রমিস ৪’ নামে আখ্যা দিয়েছে আইআরজিসি। তারা বলছে, শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ঘাঁটি ও সম্পদে হামলা করা হচ্ছে।
ইরানের স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ইরানের শীর্ষ নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জনগণকে শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে উত্সাহিত করছেন।
এদিকে, হামলার জেরে ইসরায়েলেও হামলা চালিয়েছে ইরান। গোটা ইসরায়েলজুড়ে সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলছে, তারা ইরান থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ব্যারেজ শনাক্ত করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে চালানো স্পষ্ট হামলার শিকার হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়,
বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মোকাবিলা করেছে এবং একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে। আবুধাবির আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবেশ পড়ে রয়েছে। এতে সামান্য ক্ষতি ও একজন বেসামরিক মারা গেছেন।









