গাজা দখলের ‘শপথ’ ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১১ এপ্রিল ২০২৬, ২০:০৬আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২০:২৬

ফিলিস্তিনের গাজা সীমান্ত থেকে কয়েকশ মিটার দূরে একটি পিকনিক স্পট। সেই স্পটে দাঁড়িয়ে ভূখণ্ড বাড়ানোর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েলে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা। খবর দ্য টেলিগ্রাফের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে পাঁচ সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধ চলাকালে আন্তর্জাতিক মনোযোগ গাজা থেকে সরে গেছে। কিন্তু, বসতি স্থাপনকারীদের জন্য এটি এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।

ওই পিকনিক স্পটে ‘আমাদের গাজা’ লেখা লিফলেট দেওয়া হয় দর্শনার্থীদের। লিফলেটে বলা হয়, কীভাবে পুরো উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় তারা।
ওই স্পটে দাঁড়িয়ে গাজার দিকে আঙুল তুলে ১৯ বছর বয়সী নেরি আব্রাহাম নামের এক ইসরায়েলি তরুণ বলেন, “গাজার মানুষ সাধারণত সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসবাদের সমর্থক। তাদের সেখানে থাকার যোগ্যতা নেই। যারা ভালো, তারা চাইলে থাকতে পারে এবং ইসরায়েলি শাসনের অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে। কিন্তু, বাকিদের মিসরে চলে যাওয়া উচিত। আর সন্ত্রাসীরা? তারা সন্ত্রাসীই, তাদের কী হবে তা নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যথা নেই।”

গাজা সীমান্তে জড়ো হয়ে বৃহত্তর ইসরায়েলের কথা বলছে কট্টরপন্থিরা। ছবি: সংগৃহীত

আব্রাহাম ও তার সঙ্গে পিকনিক স্পটে থাকারা ইহুদি ধর্মে বিশ্বাসী। তারা একটি নতুন ও উগ্র সামাজিক আন্দোলনের অগ্রভাগে আছেন, যা ইসরায়েলের রাজনীতি এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এই আন্দোলনে যুক্তরা একটি বৃহত্তর ইসরায়েল গঠনে নিবেদিত—যা শুধু গাজা ও পশ্চিম তীরই নয়, বরং গোলান মালভূমি এবং দক্ষিণ লেবাননের কিছু অংশও অন্তর্ভুক্ত করবে।

ইসরায়েলের কট্টরপন্থিদের মধ্যে অন্যতম অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভীর। তাদের অনুসরণ করছে আন্দোলন করা এসব কট্টরপন্থি। এই কট্টরপন্থিরা বর্তমানে ইসরায়েলে একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যাদের এখন উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এসব কট্টরপন্থি যেমন তোরাহ (ইহুদি ধর্মগ্রন্থ) সম্পর্কে দক্ষ, তেমনি অস্ত্র ব্যবহারে পারদর্শী। এসব কট্টরপন্থিরা বর্তমানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বড় অংশে আধিপত্য বিস্তার করছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একজন কর্মকর্তা ৩৪ বছর বয়সী অ্যাভিচি গুডম্যান। ৪০ বছর আগে তার বাবা ইসরায়েলে আসেন। কট্টরপন্থিদের নিয়ে আইডিএফের এই কর্মকর্তা বলেন, “এ গোষ্ঠীর সাফল্যের কারণ হলো তাদের কাজ ও সেবা করার ইচ্ছা।”

গাজা সীমান্ত বেড়ার কাছে জড়ো হওয়া অন্যদের মতো গুডম্যানও ছিলেন। তিনি বলেন, “যখন সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তখন কারা এগিয়ে আসে? জয়নাবাদীরা।”

পিকনিক স্পটে জড়ো হওয়া এই গোষ্ঠীর দৃষ্টিভঙ্গি ও মতাদর্শ সরল এবং সূত্রবদ্ধ, যেখানে একই ধরনের অনেক যুক্তি বারবার ব্যবহার করা হয়। এগুলো এমন হিউরিস্টিকস (প্রস্তুত ধারণা) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা যেকোনও বিপরীত মতকে খণ্ডন করার জন্য কাজে লাগানো হয়।

গুডম্যান এবং সেখানে থাকা আরও দু’জন ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মেয়ারের অস্ত্র সম্পর্কিত একটি উক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ইসরায়েলের চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী উক্তিটি হলো, “যদি আরবরা আজ তাদের অস্ত্র নামিয়ে রাখে, তাহলে আর কোনও সহিংসতা থাকবে না। যদি ইহুদিরা আজ তাদের অস্ত্র নামিয়ে রাখে, তাহলে আর কোনও ইসরায়েল থাকবে না।”

সম্ভাব্য বসতি স্থাপনকারীদের যুক্তি যেমন সহজে মনে রাখার মতো, তেমনি তা আত্মস্বার্থে পরিচালিত। গুডম্যান বলেন, “আমরা শিখেছি, যুদ্ধ দ্বিমাত্রিক—তুমি জিতবে বা হারবে। মাঝামাঝি অবস্থান নিলে তোমার মাথায় পাথর এসে পড়ে। গাজাবাসীদের শেখাতে হবে যে তারা হেরে গেছে। সেটা কীভাবে করা যায়? তাদের কাছ থেকে এই ভূমি নিয়ে নিতে হবে। আমরা এখন এমন একটি বিজয় চাই, যা ভবিষ্যতের যুদ্ধগুলোকে প্রতিরোধ করবে। আমরা চাই সব যুদ্ধ এখনই শেষ করতে।”

গাজা সীমান্তে ইসরায়েলের কয়েকজন নাগরিক। পাশে থাকা বিস্তীর্ণ আবাদি জমিগুলো আগে চাষাবাদ করতো ফিলিস্তিনিরা। কিন্তু, এখন জমিগুলোতে যেতে পারে না তারা। ছবি: সংগৃহীত

সীমান্তের আরেক পাশে অর্থাৎ, গাজায় থাকারা বলছেন, তাদের সেখানে কোনও যুদ্ধ নেই। কিন্তু, সেখানে শান্তি নেই বলে জানান তারা।


২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার জেরে গাজায় আগ্রাসন চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। গোটা গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে তারা। এখনও গাজার রাস্তাগুলোতে ইসরায়েলে ট্যাংকের চিহ্ন বিরাজমান। টানা দু’বছর আগ্রাসনের পর গাজায় যুদ্ধবিরতি হয়। এরপরও ভালো নেই গাজা। যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছে ৭২০ ফিলিস্তিনি।

গাজায় বাস করা ৫৭ বছর বয়সী আবু সায়েদ আল-বারোয়াই বলেন, “নিরাপত্তা, খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে আমি ও পরিবারের সদস্য বিড়ালের মতো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাচ্ছি শুধু।” তিনি আরও বলেন, “আমি একজন কৃষক। আমার যে জমি আমি আগে চাষ করতাম, তা এখন ‘ইয়েলো লাইন’র ওপারে পড়ে আছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার পর আমি সেখানে ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু কিছুই পরিবর্তন হয়নি।”

শেষ হওয়া শীতকালকে নরকের সঙ্গে তুলনা করেছেন উত্তর গাজার ৪০ বছর বয়সী বাসিন্দা আবেদ আল-হাদি কাহমান। তিনি বলেন, “আমাদের তাঁবু কয়েকবার উড়ে গেছে। আমাদের জিনিসপত্র ভিজে গিয়েছিল এবং আমরা কেবল আমাদের সন্তানদের হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্যই সংগ্রাম করছিলাম।”

তাঁবুর জীবন নিয়ে কাহমান বলেন, “জীবনের মৌলিক প্রয়োজনগুলো এখানে নেই বললেই চলে। আমাদের শিশুরা স্কুলে যায় না। আমাদের কোনও অধিকার নেই, আমরা নিরাপদ বোধ করি না। মনে হয় না যে যুদ্ধ শেষ হয়েছে। আমি আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার ভয়ে আছি এবং আমার মধ্যে সবসময় দুর্ভিক্ষ ফিরে আসার শঙ্কা কাজ করে।”

২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে মার্কিন মধ্যস্থতায় গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত একটি মার্কিন সামরিক দলের তত্ত্বাবধানে চলছে এই যুদ্ধবিরতি। গাজা উপত্যকা পরিচালনার জন্য একটি টেকনোক্র্যাটিক ফিলিস্তিনি বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যা ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ এর কাছে জবাবদিহি করবে। ওই নির্বাহী বোর্ডে টনি ব্লেয়ারও রয়েছেন।

বোর্ড অব পিসের পরিকল্পনার আওতায় গত মাসে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি আলোচনায় আনা হয়। সম্প্রতি কায়রোতে মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়। তবে, সেটি না করে দিয়েছে হামাস।

গাজায় খাবারের জন্য ফিলিস্তিনিদের হাহাকার। ছবি: সংগৃহীত

হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাবনায় আট মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। প্রস্তাবনায় বলা হয়, হামাসকে ধাপে ধাপে অস্ত্র জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং গাজা অস্ত্রমুক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিতের পর ইসরায়েলি বাহিনী সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করবে। নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করবে ‘অস্ত্র সংগ্রহ ও যাচাই কমিটি’, যা বোর্ড অব পিসে  থাকা বুলগেরীয় রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক নিকোলাই ম্লাদেনভ দ্বারা গঠিত হবে।

আগামী অক্টোবরে ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের আগেই বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট গাজা শান্তি প্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়ার যেকোনো অজুহাত খুঁজবে। ইরান যুদ্ধবিরতির মতোই এটিকে ইসরায়েলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং অনেক ইসরায়েলি এর বিরুদ্ধে থাকবে।

চলতি সপ্তাহে পশ্চিম তীরে একটি নতুন বসতি উদ্বোধন করেন স্মোট্রিচ। ওই সময় বৃহত্তর ইসরায়েলের এই দৃষ্টিভঙ্গি উসকে দেন তিনি। জড়ো হওয়া জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “গাজায় সম্প্রসারণ হবে যা আমাদের সীমান্ত বিস্তৃত করবে। লেবাননের লিতানি, সিরিয়ায় মাউন্ট হারমন, উত্তরের, দক্ষিণের ও পূর্বের কিছু অংশ পর্যন্ত হবে আমাদের।”

ইসরায়েলে এটি আর প্রান্তিক কোনও মত নয়। ইসরায়েলের ইহুদি জনসংখ্যার প্রায় ২২ শতাংশ বৃহত্তর ইসরায়েলের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এবং বসতি সম্প্রসারণের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে।

এদিকে, ৭ অক্টোবরের পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা বিপুল পরিমাণে বেড়েছে। জাতিসংঘের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বসতি স্থাপনকারীদের প্রায় এক হাজার ৮০০টি সহিংস ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, দিনে গড়ে চারটি ঘটনা। এ সময়ে ইসরায়েলি বাহিনী বা বসতি স্থাপনকারীদের হাতে এক হাজারেরও  বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে অন্তত ২৩৩ জন শিশু।

ইসরায়েলের সিনিয়র সাবেক নিরাপত্তা প্রধানদের মধ্যে ২১ জনের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে ‘ইহুদি সন্ত্রাসবাদ’ রাষ্ট্রীয় সমর্থনে চলছে।
চিঠিটিতে মোসাদ, শিন বেত ও আইডিএফ’র প্রধানদের সই রয়েছে। ওই চিঠিতে সতর্ক করে বলা হয় যে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা এখন সন্ত্রাসবাদের রূপ নিয়েছে এবং এটি ইহুদি রাষ্ট্রকেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

 গাজা সীমান্তে দ্য টেলিগ্রাফ যেসব বসতি স্থাপনকারীর সঙ্গে কথা বলেছে, তারা কেউই প্রস্তাবিত সহিংসতা বা কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডের কথা বলেনি। তবে, তারা নিশ্চিত যে তারা ‘সত্যের ধারক’ এবং তারা ঈশ্বর যা নির্দেশ দিয়েছেন বলে বিশ্বাস করে তা বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

সম্প্রসারণ আন্দোলনের স্থানীয় নেতা এবং ৯ সন্তানের মা ৩৬ বছর বয়সী হাদাত বারহাই বলেন, “আমরা শুধু চাই গাজাকে আবার ইহুদি করা হোক। আমি বুঝতে পারি না, কেন আড়াই বছর পরেও তারা সেখানে আছে। বিশ্বকে তাদের দরজা খুলে দিতে হবে এবং তাদের চলে যেতে দিতে হবে। তারা হামাসের যোগ্য নয়, তবে আমরা একসঙ্গে বসবাসও করতে পারি না।”

/এবিএম/
সম্পর্কিত
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
নতুন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন: হিজবুল্লাহমুক্ত জোন গঠনের সিদ্ধান্ত
সর্বশেষ খবর
বিচার বিলম্বে যত নাটকীয় চেষ্টা সোহেল ও তার স্ত্রীর
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলাবিচার বিলম্বে যত নাটকীয় চেষ্টা সোহেল ও তার স্ত্রীর
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জানালো তদন্ত কমিটি
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জানালো তদন্ত কমিটি
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি
হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের