মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চলমান পারমাণবিক আলোচনায় ইরান কিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে পরক্ষণেই তিনি স্বীকার করেছেন যে তেহরানের দেওয়া সেসব ছাড় এখনও চূড়ান্ত নয়।
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, আমরা কিছু ছাড় পেয়েছি, এখন তাদের (ইরান) এই ছাড়ের প্রতিশ্রুতিতে অবিচল থাকতে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ইরান থেকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি পাবে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও তেহরানের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনও চুক্তিতে সম্মত হওয়ার বিষয়টি কখনোই নিশ্চিত করা হয়নি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, এই যুদ্ধের লক্ষ্য কখনোই ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো ছিল না। অথচ সামরিক অভিযানের প্রথম রাতেই ট্রাম্প উল্টো সুর শুনিয়েছিলেন। সে সময় তিনি ইরানি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলা বন্ধ হওয়ার পর তারা যেন নিজেদের সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয়।
নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, আমরা হয়তো একটি চুক্তির কাছাকাছি আছি... আমি জানি না। তবে আমরা যেকোনও এক উপায়ে জয়ী হবোই। হয় আমরা একটি চুক্তি করবো, না হয় আমরা বাকি কাজ শেষ করবো।
অবশ্য ট্রাম্প চুক্তির কাছাকাছি থাকার কথা বললেও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে না। নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার কারণে চলতি সপ্তাহের জন্য আলোচনা স্থগিত রাখতে উভয়পক্ষই সম্মত হয়েছে।
ইরানের সাধারণ মানুষের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, আমি বরং একটি চুক্তি করতেই পছন্দ করবো, কারণ আমি ৯ কোটি ১০ লাখ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাই না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত তিনি ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোগুলোর বড় অংশকে লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত থেকেছেন, তবে প্রয়োজন মনে করলে তিনি যেকোনও সময় তা করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

হাতের ট্যাটুতে খুললো ক্ষতবিক্ষত লাশের রহস্যের জট, ৬ সপ্তাহ পর ৩ খুনি গ্রেফতার
গোল হলেই বাজবে কোন গান, কীভাবে ঠিক হয় বিশ্বকাপের প্লে-লিস্ট?
সিআইএ এজেন্ট সেজে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি ভারতীয় ব্যবসায়ীর
ভারতকে কেন ধন্যবাদ জানালো ইরান






