ইরান সরকার দেশটির এক লাখের বেশি বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া তেহরান তাদের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে নিয়মিত বেতন দিতে পারছে না বলেও দাবি করেন তিনি। হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে ইরানের দুটি রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় মার্কিন বাহিনীর হামলার কয়েক ঘণ্টা পর সোমবার ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তারা শেষ! তাদের কোনও নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, কোনও মুদ্রা নেই, তারা সেনা বা পুলিশকে বেতন দিতে পারছে না, মূল্যস্ফীতি ৩০০ শতাংশে পৌঁছেছে এবং তাদের নেতৃত্ব সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল ও দেশকে সঠিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে অক্ষম।
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, তাদের কাছে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ফেক নিউজ, নিজ দেশের বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার প্রবণতা (এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি মানুষ নিহত, মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের জন্য তাদের বিচার হওয়া উচিত!) এবং কিছু বাজে বকবক রয়েছে।
সোমবার পরিচালিত এ হামলাটি গত জুলাইয়ের শেষ দিকের পর ইরানি ভূখণ্ডে প্রথম কোনও মার্কিন আক্রমণ। রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লারাক দ্বীপে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) রকেটের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক মাইন নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো দেখে মার্কিন বাহিনী এ হামলা চালায় বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও রকেটের সমন্বয়ে হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, জর্ডানের কিং হোসেন ও আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটির প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং যুদ্ধবিমান রাখার স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়, যাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, আগ্রাসন চালিয়ে হরমুজ প্রণালিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করা যাবে না, প্রতিটি আক্রমণের আরও ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়া হবে।
সূত্র: এনডিটিভি

পশ্চিমা চাপ সামলাতে চীনেই ভরসা রাশিয়া ও ইরানের







