ফের ১০০ ডলার ছাড়ালো তেলের দাম, চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০২ আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০২

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে হামলা বাড়ায় ও দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহে বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হওয়ায় শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। সপ্তাহ শেষে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)- দুই প্রধান সূচকই ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করছে। এর ফলে মে মাসের মাঝামাঝির পর এই প্রথম দুই সূচক ১০০ ডলারের ওপরে থেকে সপ্তাহ শেষ করতে যাচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। 

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ১ দশমিক ০৫ ডলার বা ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ দশমিক ৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম বেড়ে ৯৫ সেন্ট বা ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩.৪৫ ডলারে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার উভয় সূচকের দামই ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। সাপ্তাহিক হিসাবে, দুই সূচকের দাম প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি ছিল, যা গত ১৭ জুলাইয়ের পর থেকে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় লাফ।

বৃহস্পতিবার ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা হুথিরা ইয়েমেনের মোখা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এতে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর নতুন করে হুমকি তৈরি হয়েছে। একই সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের জাহাজ চলাচলও হরমুজ প্রণালি দিয়ে সীমিত রয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওই অঞ্চলে ট্যাংকারে হামলা আরও বেড়েছে।

বিশ্লেষকরা জানান, ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এর মাধ্যমে ইরান ও হরমুজ প্রণালির বাইরেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং গোটা অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ বিঘ্নের ভয় বাড়ছে।

আইজি-এর বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং ইরান সংঘাতকে যতটা সম্ভব বিস্তৃত ও দীর্ঘায়িত করতে চাইছে। এ অবস্থায় মার্চের শুরুর দিকে ডব্লিউটিআইয়ের ব্যারেলপ্রতি ১১৯ দশমিক ৪৮ ডলারের সর্বোচ্চ দামে ফের পৌঁছানোর সম্ভাবনা বাড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক চীনের ওপর। চীন যদি তেল কেনা অব্যাহত রাখে, তাহলে সরবরাহে বিঘ্নের প্রভাব আরও বাড়তে পারে এবং তেলের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।

/এএস/ 
সম্পর্কিত
জেলেনস্কি নামক ‘দুর্ভাগ্যজনক ছোট সমস্যাটি’র সমাধান করতে ট্রাম্পকে আহ্বান মেদভেদেভের
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেবে এক মুসলিম দেশ
সর্বশেষ খবর
‘এক নেতাকে ঘিরে অন্যদের অবদান আড়াল, বর্তমান সরকারও ব্যতিক্রম নয়’
‘এক নেতাকে ঘিরে অন্যদের অবদান আড়াল, বর্তমান সরকারও ব্যতিক্রম নয়’
পিএইচপির ত্রুটিতে বন্ধ ‘মাইগভ’, মিলছে না সরকারি সেবা
পিএইচপির ত্রুটিতে বন্ধ ‘মাইগভ’, মিলছে না সরকারি সেবা
বাইয়েজিদের জোড়া জাদুতে ফিজিকে ওড়ালো বাংলাদেশ
বাইয়েজিদের জোড়া জাদুতে ফিজিকে ওড়ালো বাংলাদেশ
‘আপনারা ভালো থাকেন’, দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি
‘আপনারা ভালো থাকেন’, দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি
সর্বাধিক পঠিত
মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে জরুরি বিজ্ঞপ্তি
মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে জরুরি বিজ্ঞপ্তি
বন্ধ হয়ে গেলো ঢাকার দুই দশক পুরোনো শপিং মল
বন্ধ হয়ে গেলো ঢাকার দুই দশক পুরোনো শপিং মল
‘আমাদের নীরব কান্না দেখার মতো কেউ নেই’
‘আমাদের নীরব কান্না দেখার মতো কেউ নেই’
পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত, ১৬ ডিগ্রিতে নামলো তাপমাত্রা
পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত, ১৬ ডিগ্রিতে নামলো তাপমাত্রা
এক বর্গকিলোমিটারের কম জায়গায় ৩০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চাপে আবাসিক জীবন
এক বর্গকিলোমিটারের কম জায়গায় ৩০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চাপে আবাসিক জীবন