সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে হামলার যে দাবি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিরা করেছে, তা ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
শনিবার জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এ মন্তব্য করেন। এর আগে রিয়াদের আরামকোর একটি তেল স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করে হুথিরা। গোষ্ঠীটি বলেছে, হামলায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ইয়েমেনে হুথি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যকার লড়াই যখন তীব্র হচ্ছে, তখনই এ দাবি উঠলো।
সৌদি গণমাধ্যম আশারক আল-আওসাতে শনিবার রাতে প্রকাশিত বক্তব্যে আল-মালিকি দাবি করেন, হুথিরা ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এবং তাদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান জনরোষ থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছে।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি জানান, শনিবার হুথিদের বিভিন্ন স্থাপনা, চলাচল ও সামরিক সক্ষমতার বিরুদ্ধে ২৫৭টি নিখুঁত লক্ষ্যভেদী অভিযান চালিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক হিসাবে এসব অভিযানে অন্তত ৭০০ হুথি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে।
এদিকে আল-মালিকি বলেন, বহিরাগত এজেন্ডার সঙ্গে হুথিদের সম্পর্কই ইয়েমেনে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংস ডেকে এনেছে। তার ভাষ্য, তাইজে হুথিরা যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে, তা-ই তাদের কাল্পনিক বিজয় খুঁজতে বাধ্য করছে।
রবিবার ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, তাদের সশস্ত্র বাহিনী তোর আল-বাহা রণাঙ্গন ও তাইজ অক্ষে হুথিদের বাড়তি সেনা সমাবেশের বিরুদ্ধে ৯৭টি নিখুঁত লক্ষ্যভেদী অভিযান চালিয়েছে। এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, আর্টিলারি, ক্ষেপণাস্ত্র ও স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে।
২০২২ সালের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি জুলাইয়ে ভেঙে পড়ার পর থেকে হুথি ও ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর মধ্যকার লড়াই তীব্র হয়েছে। এতে এ পর্যন্ত কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
ইউক্রেনে ভারতীয় মালিকানাধীন ওষুধ কারখানায় রাশিয়ার হামলা, ক্ষতি ৪০০ কোটি