যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ধর্ষণ মামলায় রায়ের পর বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর অপরাধে লঘুদণ্ড দেওয়ায় বিচারকের অপসারণ চেয়ে গণস্বাক্ষর প্রচারণা শুরু হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ওই প্রচারণায় স্বাক্ষর করেছেন অন্তত ১ লক্ষ সমর্থক।
এই মামলার রায় দিয়েছেন সান্তা ক্লারা কাউন্টি কোর্টের বিচারক অ্যারন পারস্কি। অচেতন ও মাতাল এক নারীর ওপর যৌন নিগ্রহের দায়ে আসামী ব্রুক টার্নারকে মাত্র ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন তিনি।
লিগ অব উইমেন ভোটারস নামের একটি সংগঠন জানায়, পারস্কি নিজেও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। বিচারক পারস্কির বিরুদ্ধে আসামী ব্রুকের প্রতি অত্যধিক সহানুভুতিশীল হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার এই রায়ের প্রেক্ষিতে চেঞ্জ ডট ওআরজি নামের একটি ওয়েবসাইট গণসাক্ষর গ্রহণের জন্য পিটিশনের ডাক দেয়। সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে সেই পিটিশনে স্বাক্ষর করেন ৯৫ হাজার মানুষ।
এ প্রসঙ্গে বিচারক পারস্কির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে কোন ফল পাওয়া যায়নি বলে জানায় সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
রায়ের পর ব্রুকের দ্বারা নিগ্রহের শিকার ওই নারী আদালতে এক বিবৃতি পেশ করেন। বিবৃতিটি অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার পর প্রচুর সাড়া পড়ে যায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে। শুধুমাত্র বাজফিডেই লেখাটি পড়েন অন্তত ৫ দশমিক ৭ লক্ষ পাঠক।
আরও পড়ুন: স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের শিকার নারীর সাড়া জাগানো বিবৃতি
এদিকে, আসামী ব্রুকের পিতা ড্যান টার্নার দাবি করেন, ‘২০ মিনিটের কাজে’ জেলে যেতে পারে না তার ছেলে ব্রুক।এই মামলার কারণে তার পুত্র ব্রুক কতখানি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তা জানিয়ে টুইটারে আবেগঘন পোস্টও দেন তিনি।
আরও পড়ুন: ধর্ষকের বাবার দাবি: ‘২০ মিনিটের কাজে’ জেলে যেতে পারে না ছেলে
সূত্র: রয়টার্স
/ইউআর/








