ট্রাম্পের আরও এক সহযোগীর কারাদণ্ড

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ০৩:০৭, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০৩, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তের ঘটনায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরও এক সহযোগীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসকে মিথ্যা বলা, তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা ও স্বাক্ষ্য জালিয়াতির দায়ে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা ও সহযোগী রজার স্টোনকে (৬৭) ৪০ মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, রুশ হস্তক্ষেপ নিয়ে রবার্ট মুলারের তদন্তের জেরে দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় এনিয়ে ট্রাম্পের ছয় সহযোগীকে দোষী সাব্যস্ত করলো আদালত।ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা ও সহযোগী রজার স্টোন

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে জিতিয়ে দেয়ার জন্য রাশিয়া হস্তক্ষেপ করেছিল বলে জোরালো অভিযোগ তোলে ডেমোক্র্যাট পার্টি। এই অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পান বিশেষ কাউন্সেল রবার্ট মুলার। গত বছরের ১৮ এপ্রিল ওই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পকে অপরাধী প্রমাণের মতো তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে ওই তদন্তের জেরে দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় আইনজীবী মাইকেল কোহেনসহ ট্রাম্পের বেশ কয়েকজন সহযোগীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার রজার স্টোনকে দেওয়া দণ্ডের ব্যাখ্যায় বিচারক অ্যামি বারম্যান বলেন, ‘সে অসহনীয়, হুমকিমূলক আচরণ করেছে’। আদালতে জানানো হয়, স্টোন শপথ নিয়ে পাঁচটি মিথ্যা বলেছে। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, কারাদণ্ড ছাড়াও স্টোনকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা পরিশোধ করতে হবে এবং ২৫০ ঘণ্টা সেবামূলক কাজে নিয়োজিত থাকতে হবে।

বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ রজার স্টোন ১৯৭০ দশক থেকেই রিপাবলিকান দলের সঙ্গে জড়িত। ১৯৯০ দশকে ট্রাম্পের ক্যাসিনো বাণিজ্যের লবিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন স্টোন। ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী করার নেপথ্যেও ভূমিকা ছিলো তার।

রজার স্টোনের দণ্ড ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করা হয়েছে বলে মনে করেন না তিনি। তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হতে পারে এমন ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা প্রক্রিয়াটি দেখবো এবং নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবো। আর শেষে আমি একটা সিদ্ধান্ত নেবো’।

/জেজে/বিএ/

লাইভ

টপ