মে মাসেই বাংলাদেশ ৯৯ শতাংশ করোনা-মুক্ত হবে: সিঙ্গাপুরের গবেষণা

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ০৯:৫২, এপ্রিল ২৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩১, এপ্রিল ২৮, ২০২০

সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজাইন (এসইউটিডি) এর ডাটা ড্রাইভেন ইনোভেশন ল্যাবের গবেষকেরা আভাস দিয়েছেন, বিশ্বে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আগামী মে মাসের মধ্যে ৯৭ শতাংশ কমে আসবে। বাংলাদেশে এ ভাইরাসটি ৩০ মে’র মধ্যে ৯৯ শতাংশ বিলীন হয়ে যাবে। তবে গবেষণার সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে গবেষকরা তাদের পূর্বাভাসের ওপর নির্ভর না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস

সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজাইনের (এসইউটিডি) ডাটা ড্রাইভেন ইনোভেশন ল্যাব গতকাল রবিবার নিজস্ব ওয়েবসাইটে ১৩১টি দেশের করোনাবিষয়ক এই তথ্য তুলে ধরে। করোনার বিদায়ের দিনক্ষণের বিষয়ে এমন পূর্বাভাস এটাই প্রথম।

করোনাভাইরাস বিস্তারের ধরন, মানবদেহে এর ক্ষতিকর প্রভাব ও বৈশিষ্ট্য সব মিলিয়ে ওই গবেষকেরা পূর্বাভাস দিয়েছেন, মে মাসে ৯৯ শতাংশ কমে গেলেও বাংলাদেশ থেকে ভাইরাসটির পুরোপুরি বিদায় নিতে ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আর সারা বিশ্ব থেকে করোনা পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতে করোনার সংক্রমণ ২১ মে'র মধ্যে ৯৭ শতাংশ কমে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রে একই পরিমাণে আক্রান্ত কমবে ১১ মে'র মধ্যে। ইতালি ৭ মে'র মধ্যেই ওই পরিমাণ সংক্রমণ কমাতে সমর্থ হবে। 

এসইউটিডি তাদের গবেষণায় সাসসিপটাবেল ইনফেক্টেপ রিকভারড (সার) মডেল ব্যবহার করেছে। এ মডেল অনুযায়ী, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমার প্রমাণ মিলছে। গবেষকদের দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন দেশ থেকে পাওয়া তথ্যে ও করোনা ভাইরাসের জীবনচক্রের মেয়াদ সম্পর্কে প্রচুর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছনো হয়।

তবে নিজেদের গবেষণা প্রসঙ্গে ডিসক্লেইমার অংশে তারা লিখেছে, তাদের কনটেন্টগুলো কেবলই শিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে করা এবং এগুলোর ত্রুটি থাকতে পারে। বিভিন্ন দেশের জটিল, পরিবর্তিত ও ভিন্নধর্মী বাস্তবতায় এ মডেল ও ডাটা অযথার্থ হতে পারে। পূর্বাভাসগুলো স্বাভাবিকভাবে অনিশ্চিত। পাঠকদেরকে এসব পূর্বাভাসগুলো সতর্কতার সঙ্গে নিতে হবে। প্রকোপ শেষ হওয়ার পূর্বাভাসে যে তারিখগুলো উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোর ওপর নির্ভর করা বিপজ্জনক। এগুলো এড়িয়ে যেতে হবে। কারণ এর মধ্য দিয়ে আমাদের শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ কমে যেতে পারে এবং এর ফলে ভাইরাস ও সংক্রমণ আবার ফিরে আসতে পারে। 

/এফইউ/বিএ/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ