ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা সুদানের

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ০১:৩৫, অক্টোবর ২৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:৪৪, অক্টোবর ২৪, ২০২০

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের পর এবার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে যাচ্ছে সুদান। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সুদানের এক যৌথ বিবৃতিতেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনাকে ফিলিস্তিনিদের পিঠে নতুন আরেকটি ছুরি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ফিলিস্তিনিরা।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, অন্তত আরও পাঁচটি আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী। সৌদি আরবও ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সুদানের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুদান ও ইসরায়েলের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব মিটিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়ে উভয় দেশের নেতারা একমত হয়েছেন।
আমিরাত ও বাহরাইনের পর ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্থাপনেও কলকাঠি নেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও সুদানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেই বিষয়টি পোক্ত করেন ট্রাম্প। কথা বলেন সুদানের অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিলের প্রধানের সঙ্গেও।
এ নিয়ে গত মাসের মাথায় তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা দিলো সুদান।
এ সপ্তাহের গোড়ার দিকেই যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সুদানের নাম বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন ট্রাম্প। দৃশ্যত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের শর্তেই এ তালিকা থেকে অব্যাহতি পেয়েছে দেশটি।
ইসরায়েলের জন্মলগ্ন থেকেই বেশিরভাগ আরব রাষ্ট্র এটিকে একটি দখলদার শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। ফলে স্বভাবতই এতোদিন ধরে ইসরায়েলকে বয়কট করে আসছিল তারা। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদিসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের নাটকীয় উন্নতির খবর এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে।
২০১৮ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী দ্য আটলান্টিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বহু বিষয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। একইসঙ্গে তিনি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড জবরদখল করে জন্ম নেওয়া ইসরায়েল রাষ্ট্রের অস্তিত্বের অধিকারের পক্ষে নিজের অবস্থানের কথা জানান। এর দুই বছরের মাথায় রিয়াদের দুই মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে। ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতের চুক্তির সমালোচনা করায় ‘ফিলিস্তিনিদের অকৃতজ্ঞ জাতি’‌ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন আমিরাতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আনোয়ার গারগাশ। সূত্র: আল জাজিরা।

/এমপি/

লাইভ

টপ