ইকুয়েডরের একটি টিভি স্টুডিওতে লাইভ অনুষ্ঠান চলাকালীন মুখোশধারী বন্দুকধারীরা অনুষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এমন ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই টিভি স্টেশনের কর্মীরা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
ইকুয়েডরের গুয়াইকিল শহরে টিসি নামক টেলিভিশন স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। বিবিসির প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, অপরাধীদের সবাই হুড পরিহিত এবং হাতে বন্দুক। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে তাদের দেখাও গেছে।
টিসির লাইভ অনুষ্ঠান চলাকালীন বন্দুকধারীরা সেখানে প্রবেশ করে এবং কর্মীদের মেঝেতে শুয়ে পড়তে বাধ্য করে। একপর্যায়ে সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জানিয়েছে, টেলিভিশন স্টেশনটি থেকে কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে । অভিযানে কেউ নিহত বা আহত হয়নি।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ঘটনায় অন্য একজনকে জোর করে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়াকে সম্বোধন করে একটি বিবৃতি পড়ানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আপনি যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, আপনি সেই যুদ্ধ দেখবেন। আরও বলা হয়, আপনি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। আমরা পুলিশ, বেসামরিক এবং সেনাদের লুট করব।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, একজন বন্দুকধারী টেলিভিশনের এক কর্মীর মাথায় বন্দুক ধরে হুমকি দিচ্ছে। একজন নারীকে অনুরোধ করতে শোনা যায়, দয়া করে গুলি করো না।
এদিকে কুইটোর বাসিন্দা মারিও ইউরেনা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, গুয়াকিলের টিভি স্টেশনে হামলার পর থেকে শহরটি বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে। শহরে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গত সোমবার একজন কুখ্যাত গ্যাংস্টার কারাগার থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে ইকুয়েডরে ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া।








