চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ বছর শেষ হওয়ার আগেই দুই নেতার এই কথোপকথন অনুষ্ঠিত হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসের বরাত দিয়ে সোমবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
রুশ প্রেসিডেন্টের দফতর ক্রেমলিনের তরফেও শি-পুতিনের আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, দুই পক্ষ যথাসময়ে কথোপকথনের বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করবে।
রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। গত সপ্তাহে বেইজিং সফরকালে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতে মিলিত হন পুতিন প্রশাসনের এই কর্মকর্তা।
এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধে নিজেদের অবস্থানের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ি। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী বছরগুলোতে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করবে তার দেশ। দুই দেশের বাণিজ্য দ্রুত ২০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
চীনের রাজধানী থেকে ভিডিও লিঙ্কে একটি সম্মেলনে যুক্ত হয়ে ওয়াং ইয়ি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের ভুল চীন নীতি বেইজিং দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বাণিজ্য, প্রযুক্তি, মানবাধিকার ইস্যুতে চীনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে পশ্চিমারা। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উৎপীড়নের অভিযোগ তুলেছে বেইজিং।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের নিন্দা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে চীন। একইসঙ্গে তারা রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞারও সমালোচনা করেছে। এতে করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইউক্রেন সংকটের ইস্যুতে আমরা নিয়মিত মৌলিক নিরপেক্ষতার নীতি ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছি। আমরা কোনও পক্ষকে সমর্থন করিনি কিংবা সংঘাত বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখিনি। পরিস্থিতি থেকে সুবিধা আদায়ের সবচেয়ে কম চেষ্টা করছে চীন।









