দুর্নীতির মামলায় যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি ও সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিককে দ্বিতীয়বার চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের আদালত। এই বিচারপ্রক্রিয়াকে অন্যায্য ও ত্রুটিপূর্ণ বলে সমালোচনা করেছে লেবার পার্টি। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় লেবার পার্টির এক মুখপাত্র বলেছেন, এই মামলায় টিউলিপ সিদ্দিক ন্যায্য আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ পাননি। তাকে অভিযোগের বিস্তারিত তথ্যও কখনও জানানো হয়নি। তিনি আরও বলেছেন, তার আইনজীবীদের মাধ্যমে বারবার অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ কোনও সাড়া দেয়নি। যেকোনও অভিযোগের ক্ষেত্রে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকা উচিত। যেহেতু তা হয়নি, তাই আমরা এই রায়কে স্বীকৃতি দিতে পারি না।
অন্যদিকে, এমপি টিউলিপ সিদ্দিক পুরো বিচারপ্রক্রিয়াকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি পুরো বিষয়টি বুঝতে পারছি না। দেড় বছর ধরে আমার বিরুদ্ধে অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে, অথচ বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি।
এছাড়াও আলাদা দুর্নীতির মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের আরও দুই সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এসব মামলার বিচার আসামিদের অনুপস্থিতিতে হয় এবং সবাই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, এই চার বছরের সাজা আগের দুই বছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হলো। গত বছরের শেষে আরেকটি দুর্নীতির মামলায় তাকে দুই বছরের সাজা দেওয়া হয়। ওই মামলায় ঢাকার উপকণ্ঠে একটি জমি পাওয়ার জন্য প্রভাব খাটানোর অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি যুক্তরাজ্যের ট্রেজারি মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।








