চীনের নতুন তৈরি ‘গুয়াম কিলার’ মিসাইল সাড়ে ৫ হাজার দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে চীন এ মিসাইল দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় আঘাত পারবে বলে মার্কিন কংগ্রেসকে সতর্ক করা হয়েছে। চীনের নতুন মিসাইলকে মার্কিন প্রতিরক্ষার জন্য হুমকি হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের একটি প্যানেল চীনের এই ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে চীনের ‘গুয়াম কিলার’ মিসাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা জন্য উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য ইউএস-চায়না ইকোনোমিক এন্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশন সম্প্রতি জানিয়েছে, চীনের এই নতুন মিসাইলটি সাড়ে ৫ হাজার মাইল দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হনতে সক্ষম। এতে করে প্রশান্ত মাহাসাগরীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ মার্কিন সামরিক স্থাপনা এই মিসাইলের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
কমিশন আরও জানায়, চীনের মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ডিএফ-২৬ এর ডাক নাম ‘গুয়াম কিলার’। এ মিসাইলে আওতায় চলে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের গুয়াম অঞ্চল। চীনের যেসব সমরাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় আঘত হানতে সক্ষম, ডিএফ-২৬ হলো সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর।
প্রশান্ত মাহাসাগরের গুয়াম দ্বীপে রয়েছে যুক্তরাষ্টের এন্ডারসন বিমানঘাঁটি আর অ্যাপরা নৌঘাটি। এই সামরিক স্থাপনা থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তি প্রদর্শণ করতে পারে নিরাপদ দূরত্বে থেকে। এই স্থাপনাটি উত্তর কোরিয়া থেকেও নিরাপদ দূরত্বে অবস্থিত।
গুয়াম কিলার মিসাইল তৈরির আগ পর্যন্ত চীন কেবল এইচ-৬-কে বুমারু বিমান দিয়ে গুয়াম আক্রমণ করতে পারত। কিন্তু মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে তা খুব একটা কার্যকর নয়। গুয়ামে রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ৬ হাজার সদস্য। আছে আধুনিক সব সামরিক সরঞ্জাম।
ক্ষেপণাস্ত্রটি ওই অঞ্চলের শান্তির জন্যও হুমকি বলে মনে করে কংগ্রেস।
সম্প্রতি একটি মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ বিতর্কিত দক্ষিণ-চীন সাগরের একটি দ্বীপের কাছে গেলে দেশ দু’টির মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। দ্বীপটিকে চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশ নিজের বলে দাবি করে আসছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
/এএ/








