যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যের ওয়াকোতে একটি বেসরকারি স্কুলে সহপাঠীদের হাতেই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে এক কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষার্থী। শ্বেতাঙ্গ সহপাঠীরা গলায় দড়ি পেঁচিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় ১২ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীকে।
লাইভ ওক ক্লাসিক্যাল স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ক্যাম্পআউটে দড়ি নিয়ে খেলতে খেলতে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটায় একদল শ্বেতাঙ্গ শিক্ষার্থী। তারা দাবি করে দুর্ঘটনাবশত দড়িটি পেঁচিয়ে যায় মেয়েটির গলায়।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে করা মামলার বিবরণে বলা হয়, স্কুল কর্তৃপক্ষ মেয়েটিকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সে শারীরিক যন্ত্রণা, বিকৃতি ও দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য ৩ মিলিয়ন ডলার জরিমানাও দাবি করা হয় ওই মামলায়।
মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, বিষয়টি ইচ্ছাকৃত ছিল নাকি দুর্ঘটনাবশত ঘটেছিল সে বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনও তদন্ত করেনি। এমনকি ঘটনার পর পর মেয়েটির মাকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগতও করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে স্কুলের পক্ষের আইনজীবী ডেভিড ডেকনসন বলেন, ‘যা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’ তিনি আরও দাবি করেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ মেয়েটির মাকে এ সম্পর্কে যথাসময়েই জানিয়েছে। নির্যাতিত শিক্ষার্থীর মা এর আগের বছরগুলোতে বিদ্যালয় প্রশাসন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বলেও দাবি করেন আইনজীবী ডেভিড। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
/ইউআর/এএ/








