সংবাদমাধ্যমের সমালোচনার সময় দর্শকদের দুয়োধ্বনি পেলেন ট্রাম্প

বিদেশ ডেস্ক
২৬ জানুয়ারি ২০১৮, ২৩:৫৫আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১৩:১০

সংবাদমাধ্যমের প্রতি নিজের ক্ষোভ আবারও উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এবার দর্শকসারি থেকে ট্রাম্পের এ ক্ষোভের জবাবে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয়। আর এই দর্শকসারিতে বসা ছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অভিজাত ব্যবসায়িক শ্রেণির প্রতিনিধিরা।

দাভোসে ডোনাল্ড ট্রাম্প

একদিন আগে বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের অবকাশ কেন্দ্র দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু ‘নোংরা, ভুয়া ও নিচ’ সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করতে গিয়ে মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখলেন বিশ্বের প্রভাবশালী এই প্রেসিডেন্ট। দর্শকরা দুয়োধ্বনির পাশাপাশি হিসহিস শব্দ করে ট্রাম্পকে বক্তব্য দিতে বাধা দেন। অবশ্য স্কাই নিউজ জানাচ্ছে, দর্শকদের এই দুয়োধ্বনি ট্রাম্পকে নাকি সংবাদমাধ্যমকে লক্ষ্য করেছিল তা স্পষ্ট হওয়া যায়নি।

সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, রাজনীতিতে আসার আগে বুঝিনি সংবাদমাধ্যম কতোটা খারাপ, নিচ, ব্যাধিযুক্ত ও মিথ্যায় ভরপুর হতে পারে।

২০১৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ক্রমাগত সংবাদমাধ্যমকে আক্রমণ করে গেছেন ট্রাম্প। আবাসন ব্যবসা থেকে রাজনীতিতে আসা ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমকে ভুয়া আর উদ্দেশ্যমুলক খবর প্রকাশের জন্য অভিযুক্ত করতে থাকেন। চলতি মাসে তিনি সংবাদমাধ্যমের জন্য বিদ্রুপাত্মক ‘ফেক নিউজ অ্যাওয়ার্ড’ও ঘোষণা করেছেন।

দাভোসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, অতীতে আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থা স্থবির ছিল। আমরা অবশ্যই পরিবার সম্প্রসারণের এই নীতির অবসান ঘটিয়ে মেধাভিত্তিক নীতি প্রবর্তন করবো। এর মাধ্যমে আমেরিকায় তাদেরই স্বাগত জানানো হবে যারা আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে। নিজেদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পারবে। সর্বোপরি আমাদের দেশকে শক্তিশালী করতে পারবে।

ট্রাম্প বলেন, বিশ্বকে সন্ত্রাস আর প্রতিদ্বন্দ্বিতামুলক শক্তি থেকে নিরাপদ রাখতে আমরা আমাদের বন্ধু এবং মিত্রদের নিজেদের প্রতিরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। যৌথ নিরাপত্তায় প্রত্যেকের সমান অংশীদারিত্ব জরুরি বলে ও মত দেন তিনি।

১১০ টি দেশের তিন হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী দাভোসের ওই সম্মেলনে যোগ দেন। এছাড়া এই সম্মেলনে ছিলেন ৭০ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, ৪৫টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান।

 

/জেজে/এএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম