যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া ফ্রিডম গার্ডিয়ানের জন্য কত অর্থ ব্যয় হয় তার একটি ধারণা পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার (৬ জুলাই) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মহড়াটির অনুষ্ঠিত হলে তাতে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার খরচ হতো। গত জুলাই মাসে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ সম্পর্কিত সম্মেলনের সময় ওই যৌথ মহড়া অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছিল। ট্রাম্প বলেছিলেন, ওই মহড়াগুলো ‘ব্যয়বহুল যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা।’
গত মাসে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ মহড়া স্থগিত করার যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছিল, তা জানার পর অনেকেই বিস্মিত হয়েছিলেন উত্তর কোরিয়াকে এমন ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেখে। তবে সম্মেলনের আগে উত্তর কোরিয়া ওই সামরিক মহড়াকে পরোক্ষ হুমকি আখ্যা দেওয়ায় সম্মেলন সফল করার কৌশল হিসেবে ট্রাম্প মহড়া স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সামরিক উত্তেজনা প্রশমনে ওই সময়ে উত্তর ও দক্ষিণ, দুই কোরিয়াই সীমান্তে স্থাপিত তাদের প্রোপাগান্ডা মাইকগুলো খুলে ফেলেছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মার্কিন কর্মকর্তা মহড়ায় কোন খাতে কত খরচ হয় তার বিস্তারিত হিসেবে তুলে ধরেননি। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যতগুলো যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তার কোনওটিরই মোট খরচের হিসেব কখনও প্রকাশ করেনি পেন্টাগন।
রয়টার্স লিখেছে, প্রকৃতপক্ষে এমন মহড়ার হিসেব বের করা জটিল। কারণ মহড়াগুলোতে সামরিক বাহিনীর অনেকগুলো শাখা জড়িত থাকে। এমনকি মহড়াগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বিভিন্ন বছরের বাজেট থেকে বরাদ্দ করা হয়। আর তা খরচ হয় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে।
গত বছর ১৭ হাজার ৫০০ জন মার্কিন সেনা ও ৫০ হাজার দক্ষিণ কোরীয় সেনা ফ্রিডম গার্ডিয়ান নামের যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছিল। রয়টার্স জানিয়েছে, তবে ওই মহড়ায় যতটা না মাঠ পর্যায়ের অনুশীলন ছিল তার চেয়ে বেশি ছিল কমপিউটারভিত্তিক সিমুলেশন।








