দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রস্তাবের আওতায় ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত সমাধানে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা চূড়ান্ত যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এখবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সোমবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত সামগ্রিক পরিকল্পনার বিস্তারিত চূড়ান্ত করতে কাজ করছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এই শান্তি পরিকল্পনাকে ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে কিছুই জানানো হয়নি। এখন পর্যন্ত চুক্তিটি প্রকাশের কোনও তারিখও ঘোষণা করেনি হোয়াইট হাউস।
হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা জানান, সিনিয়র উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত জ্যাস গ্রিনব্লাট এই চুক্তি নিয়ে মধ্যস্ততা করছেন। এই দুই দূত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের কাছে তাদের সংকট সমাধানের জন্য প্রস্তাবটি গ্রহণ করতে অথবা চলমান পরিস্থিতি মেনে নিতে বলেছেন।
উল্লেখ্য, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনে অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া উদ্যোগ ভেস্তে গেছে জেরুজালেম ইস্যুতে মতপার্থক্যের কারণে। ২০১৭ ডিসেম্বর ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতের ধারাবাহিকতা ভেঙে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি দেন এবং সেখানে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের নির্দেশ দেন।
মার্কিন কর্মকর্তা জানান, জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত শান্তি পরিকল্পনায় কেমন প্রভাব ফেলবে তা জানতে চেয়েছেন। তাকে জানানো হয়েছে, সাময়িক বাধা আসতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে শান্তির সুযোগ বাড়বে।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এই শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানালেও তাদের প্রত্যাশা তিনি তা পড়ে দেখবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ মত দেবেন। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।








