স্নায়ু যুদ্ধে চোরাগোপ্তা অভিযানে গোয়েন্দা-কবুতর ব্যবহার করতো সিআইএ

বিদেশ ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:০০আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:১৭

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) রাশিয়ার বিরুদ্ধে স্নায়ু যুদ্ধে পরিচালিত গোয়েন্দা-কবুতর মিশনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, সোভিয়েত ইউনিয়নের অভ্যন্তরে স্পর্শকাতর স্থাপনার ছবি তুলতে কীভাবে প্রশিক্ষিত কবুতরকে কাজে লাগানো হয়েছে। এছাড়া জানালায় ধারে আড়িপাতা যন্ত্র ফেলতে কাক ও ডুবোপথের চোরাগোপ্তা অভিযানে প্রশিক্ষিত ডলফিনকে কাজে লাগানোর তথ্যও সামনে এসেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।

স্নায়ু যুদ্ধে চোরাগোপ্তা অভিযানে গোয়েন্দা-কবুতর ব্যবহার করতো সিআইএ

সিআইএ মনে করে, গোয়েন্দা সংস্থার চোরাগোপ্তা অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারে এসব প্রাণি। সিআইএ’র অবমুক্ত করা নথি অনুসারে, ১৯৭০-এর দশকে টাকানা কোডনামের অভিযানে ছোট ক্যামেরা লাগিয়ে কবুতরকে ছবি তুলতে পাঠানো হয়েছিল। কবুতরকে এই কাজে লাগানোর পেছনে যুক্তি ছিল, যে কোনও জায়গা পাঠানো যায় এবং কয়েকশ মাইল পাড়ি দিয়ে পুনরায় ফিরে আসতে পারে।

যোগাযোগের জন্য কবুতর কয়েক হাজার বছর ধরেই ব্যহৃত হচ্ছে। তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে কাজে লাগানো হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই ১৪ (ডি) গোপন কবুতর সার্ভিস চালু করেছিল। প্যারাসুটের মাধ্যমে দখলকৃত ইউরোপে পাখি পাঠানো হতো। সহস্রাধিক কবুতর জার্মানির ভি১ রকেট উৎক্ষেপণ স্থাপনা ও রাডার স্টেশনের তথ্য নিয়ে ফিরেছিল।

সিআইএ’র অপারেশন টাকানাতে বিভিন্ন প্রাণি ব্যবহার করা হয়েছে। অবমুক্ত হওয়া নথি অনুসারে, প্রবেশ করা সম্ভব নয় এমন ভবনে ৪০ গ্রাম ওজনের বস্তু জানালায় রাখার জন্য কাককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। অতিথি পাখিকেও সোভিয়ে ইউনিয়নে রাসায়নিক অস্ত্র শনাক্তের কাজে লাগানোর বিষয়ে পরিকল্পনা করেছিল সিআইএ।

আগে অবমুক্ত হওয়া নথিতে জানা গিয়েছিল, অকাস্টিক কিটি নামের অভিযানে বিড়ালের শরীরে আড়িপাতার যন্ত্র পাঠানো হয়েছিল।

ষাটের দশকে সিআইএ বন্দরে অনুপ্রবেশের জন্য ডলফিনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিল। 

 

/এএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম