যুক্তরাষ্ট্রে বিপন্ন প্রজাতির ক্যালিফোর্নিয়া শকুন একটি বাড়ি নিজেদের বলে দাবি করেছে এবং তা ফিরে পেতে বাড়ির মালিকের সঙ্গে 'যুদ্ধ ঘোষণা' করেছে। ওই বাড়িতে বসবাসরত পরিবারের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।
টেহাচাপি এলাকায় চিন্ডা মিকোলের বাড়িতে সপ্তাহান্তে অন্তত ১৫টি শকুনকে অবস্থান নিয়েছে। তার মেয়ে সিয়ানা কুইনটেরো টুইটারে লিখেছেন, তারা এখনও যায়নি। বাড়ির পাটাতন একেবারে গুড়িয়ে দিয়েছে।
ধারণা করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে এমন শকুনের সংখ্যা পাঁচশ'র কম রয়েছে। আর ক্যালিফোর্নিয়াতে এই প্রজাতির শুকুনের সংখ্যা প্রায় ১৬০টি।
কুইনটেরো শকুন বাড়িতে অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই নিয়মিত টুইটারে আপডেট দিয়ে যাচ্ছেন।
এক টুইটে তিনি লিখেছেন, আমার খর্বাকৃতির মা ১০ ফুট দূর থেকে তার অর্ধেক আকারের পাখিগুলোকে তাড়ানোর চেষ্টা করেন। তারা মায়ের ছাদে, রেলিংয়ে বসছে এবং পুরো বাড়িতে ময়লা ত্যাগ করছে। জিনিসপত্র এলেমেলো করছে।
তিনি আরও লিখেছেন, শকুনের উপস্থিতি নিয়ে তার ও মায়ের কোনও আপত্তি নেই। সমস্যা হলো তারা অনেক ক্ষতি করে যাচ্ছে। চারার টব উল্টে দিচ্ছে, চিত্রকর্মে আঁচড় কাটছে। অনেক কিছু হারিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মৎস্য ও বণ্যপ্রাণী সেবা কুইনটেরোর টুইটারে সাড়া দিয়েছে। তারা ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, শকুনগুলো সংরক্ষিত এবং তার মায়ের বাড়িটি শকুনের ঐতিহাসিক আবাসস্থলে পড়ে গেছে।
সংস্থাটি পরামর্শ দিয়েছে, এমনটি ঘটলে শকুনের ক্ষতি না করে কয়েকটি পদ্ধতিতে ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যাবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, হোস পাইপ দিয়ে পানি নিক্ষেপ, চেঁচানো, হাততালি, চিৎকার বা স্কয়ারক্রো স্প্রিংকার্সের মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
কুইনটেরো লিখেছেন, তাদের পরামর্শ মতো তার মা ছাদে বসা কয়েকটি শকুনের গায়ে পানি দিয়েছেন। এখন তারা অন্যান্য শকুনের সঙ্গে গাছে অবস্থান নিয়েছে। সেখানে বসে আছে, এদিক সেদিক দেখছে। শকুনরা যা করে সেগুলো করছে।









