ফেসবুকে শিশুদের ক্ষতি, গণতন্ত্রও দুর্বল করছে: সাবেক কর্মী

বিদেশ ডেস্ক
০৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২১আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪৭

সোমবার বিশ্বের অনেক দেশে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম প্রায় ছয় ঘণ্টা ডাউন থাকা নিয়ে তোলপাড়। এর মধ্যেই ফেসবুকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক কর্মী ফ্রান্সেস হাউগেন। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) মার্কিন কংগ্রেসের শুনানিতে অংশ নিয়ে অভিযোগ করেন, ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ শুধু মুনাফার দিকেই নজর দিচ্ছেন। ফলে প্ল্যাটফর্মটি শিশুদের ভয়ানক ক্ষতি করার পাশাপাশি বিভাজনকেও উসকে দিচ্ছে।

এদিন ক্যাপিটল হিলে মার্কিন কংগ্রেসে শুনানিতে সাক্ষ্য দিতে আসা ফেসবুকের সাবেক এই প্রোডাক্ট ম্যানেজার দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার বক্তব্যের শুরুতেই ফেসবুকের নীতি নির্ধারকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, 'ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকার পরও মার্ক জাকারবার্গকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার মতো কেউ নেই'।

৩৭ বছর বয়সী এই সাবেক কর্মকর্তা বলেন, ফেসবুকের পণ্যগুলো শিশুদের জন্য ক্ষতিকর, এছাড়া আমাদের গণতন্ত্রকে দুর্বল করছে। প্রতিষ্ঠানটির নীতি নির্ধারকরা জানেন কীভাবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামকে আরও নিরাপদ করা যায়। যদিও এ নিয়ে তাদের মাথাব্যাথা নেই। এতকিছু জানা সত্ত্বেও কোনও পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। কারণ, তাদের উদ্দেশ্য কীভাবে মুনাফা বাড়ানো যায়। এ অবস্থায় শুনানিতে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান তিনি। 

এদিন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের দু'পক্ষই ফেসবুকের বিভিন্ন বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্টাল বলেন, 'ফেসবুক জানে তাদের পণ্যগুলো সিগারেটের মতো আসক্তি। বিষয়টি ভয়ানক সত্যের মুখোমুখি। আমাদের শিশুরাই এর শিকার হচ্ছে। মার্ক জাকারবার্গের উচিত আয়নায় নিজের চেহারা দেখা'।

এর আগে হাউগেন মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তদন্তে ব্যবহৃত নথি ও ইনস্টাগ্রামে কিশোরীদের ক্ষতির বিষয়ে সিনেট শুনানিতে ব্যবহৃত তথ্য সরবরাহ করেন।

ফেসবুক এ পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষা থেকে শুরু করে ভুল তথ্য বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া ব্যাপক সমালোচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির কর্মকর্তারা।

/এলকে/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম