সিরিয়ার একটি বড় ধরনের বিমান হামলার কথা গোপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওই হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
তথাকথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোদ্ধাদের ওপর ২০১৯ সালে পরিচালিত হামলায় ৮০ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে মাত্র ১৬ জন জঙ্গি বলে শনাক্ত হয়েছে। এই ঘটনায় কোনও স্বতন্ত্র তদন্ত কখনও পরিচালনা করা হয়নি।
মার্কিন কর্মকর্তারা এই সপ্তাহে প্রথমবারের মতো হামলাটির কথা স্বীকার করেছেন। তবে তারা দাবি করেছেন, হামলাটি ন্যায্য ছিল। তারা বলছেন, হামলায় ১৬ জঙ্গীর পাশাপাশি বাকিরা নিহত হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট ছিল না।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ যোগাযোগ করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর বাগুজে এই হামলা চালানো হয়েছিল। এলাকাটি ছিল আইএসের তথাকথিত খিলাফতের শেষ শক্তিশালী ঘাঁটি।
নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুসারে, মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে তিনটি বোমা নিক্ষেপ করা হয় বড় এক জমায়েতের ওপর। অথচ ড্রোন ফুটেজে আগেই দেখা গিয়েছিল সেখানে অনেক বেসামরিক মানুষের উপস্থিতি। অভিযানটি পরিচালনার নির্দেশ দেয় সিরিয়ায় অভিযানে জড়িত মার্কিন স্পেশাল অপারেশন ইউনিট।
ঘটনায় কাজ করা এবং পরে পদচ্যুত কর্মকর্তা জেনে টাটে বলেন, নেতৃত্ব মনে হয়েছে বিষয়টি চেপে যেতে চেয়েছে। এই বিষয়ে কেউ কিছু করতে চায়নি।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর হামলার কথা শেষ পর্যন্ত স্বীকার করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, বোমায় ১৬ যোদ্ধা ও ৪ বেসামরিক নিহত হয়। অবশিষ্ট নিহত ৬০ জন বেসামরিক ছিলেন বলে নিশ্চিত হয় সেনাবাহিনী। কারণ অনেক সময় ইসলামিক স্টেটের অনেক নারী ও শিশুও অস্ত্র হাতে তুলে নেয়।









