ইসরায়েলের প্রতি কমলার দৃঢ় অবস্থান

যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ বৃদ্ধির আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩১ আগস্ট ২০২৪, ১৪:২২আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০২৪, ১৪:২২

গাজায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতি কমলা হ্যারিসের দৃঢ় সমর্থন ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভকে আরও উসকে দিলো। এর জেরে আগামী দিনগুলোতে কমলার প্রচারাভিযান বন্ধ, বিশ্ববিদ্যালয় ও জনসমাবেশে নতুন করে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ হতে পারে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনপন্থিরা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জর্জিয়ার সাভানাতে হ্যারিসের বক্তৃতায় বাধা দিয়েছেন তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ফিলাডেলফিয়াতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কমলা হ্যারিসের বিতর্কের সময় বিক্ষোভ করবেন আরব আমেরিকান, মুসলিম এবং তাদের সহযোগীরা। এছাড়া ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি হামলার বার্ষিকীতে প্রধান প্রধান শহর ও কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করবেন তারা। এর আগে শিকাগোতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জাতীয় সম্মেলনেও বিক্ষোভ করেন তারা।

জো বাইডেনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর, ইসরায়েলে অস্ত্র বিক্রি কমানোর কথা বিবেচনা করবেন না বলেও স্পষ্ট করেছিলেন কমলা হ্যারিস। বৃহস্পতিবার সিএনএনের সাক্ষাৎকারেও তিনি ইসরায়েলের প্রতি তার মনোভাব স্পষ্ট করেন। বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ও নিজেদের আত্মরক্ষার সক্ষমতার প্রতি আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমার এই অবস্থান বদলাবে না। অস্ত্র বিক্রি কমানোর বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে চুক্তি করতে হবে।

কমলার এই দৃঢ় অবস্থান আবারও ডেমোক্র্যাটিক জোটে ফাটল ধরিয়েছে। প্রাথমিকভাবে জো বাইডেনের প্রচারাভিযানেও এই সমস্যা তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।

সিএনএনের সঙ্গে কমলার সাক্ষাৎকার প্রচারের পর, কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী প্রতিনিধি ও ডেমোক্র্যাটিক রাশিদা তালাইব নিজের এক্স প্ল্যাটফর্মে বলেন, ‘এটা ঠিক। যুদ্ধাপরাধ এবং গণহত্যা চলতেই থাকবে।’

আরব আমেরিকান ও মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলার জন্য অবশ্য সম্প্রতি দুজন ব্যক্তিকে নিয়োগ করেছেন কমলা। কিন্তু তারা কমলার নিয়োগকৃতদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

এমন পরিস্থিতিতে মিশিগান, পেনসিভভেনিয়া ও অন্যান্য কলেজ ক্যাম্পাসে আবারও ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ডেমোক্র্যাটরা। সেই সঙ্গে আগামী ৫ নভেম্বরের নির্বাচনে কমলা বেশ কয়েকটি রাজ্যে মুসলিমদের ভোট হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলিম দেশগুলোতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনে সমর্থন দেওয়ায়  ২০২০ সালে বাইডেনকে সমর্থন দেন আরব আমেরিকানরা। এর ফলে সামান্য ব্যবধানে মিশিগানে জয় পান বাইডেন। এবারও তাঁরা এমন প্রার্থী চান, যিনি গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের মতো দাবি পূরণ করবেন।

/এস/
সম্পর্কিত
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বশেষ খবর
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম