সিরিয়ায় সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলাগুলোর প্রতি সমর্থন দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, যখন উত্তেজনা বেড়ে যায়, তখন ওয়াশিংটন তাদের অসন্তোষ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
বুধবার ইসরায়েল দামেস্কে বিমান হামলা চালায় এবং দক্ষিণাঞ্চলে সিরীয় সরকারি বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা করে। সেই সঙ্গে বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ইসরায়েল জানায়, তারা সিরিয়ার দ্রুজ জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে চায়। এই সম্প্রদায়টি সংখ্যায় কম হলেও সিরিয়া, লেবানন এবং ইসরায়েলে প্রভাবশালী।
এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন, ‘ইসরায়েলের এই হস্তক্ষেপ ও কর্মকাণ্ডের বিষয়ে বলতে গেলে... যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলাগুলোর প্রতি সমর্থন দেয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বর্তমানে ইসরায়েল ও সিরিয়ার সঙ্গে সর্বোচ্চ পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে বর্তমান সংকট মোকাবিলা করা যায় এবং উভয় সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে একটি স্থায়ী সমঝোতা অর্জন সম্ভব হয়।’
ট্যামি ব্রুস এই প্রশ্নের জবাবে কিছু বলেননি যে, ভবিষ্যতে ইসরায়েল যখন প্রয়োজন মনে করবে তখন যুক্তরাষ্ট্র তাদের এমন সামরিক অভিযানের পক্ষে থাকবে কি না।
তিনি বলেন, ‘আমি অতীত বা ভবিষ্যতের কথোপকথন নিয়ে কিছু বলব না। আমরা এখন যা মোকাবিলা করছি তা হলো এই বিশেষ পরিস্থিতি, যেখানে যা করা দরকার ছিল তা করা হয়েছে। আমার মনে হয় আমরা আমাদের অসন্তোষ খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছি। প্রেসিডেন্ট নিজেও তা করেছেন এবং আমরা দ্রুততার সঙ্গে এটি বন্ধে কাজ করেছি।’
ট্যামি ব্রুস আরও বলেন, সিরিয়ায় সংঘাতকে যুক্তরাষ্ট্র নিন্দা জানায় এবং দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ও সংহতির আলোচনা অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে সকল পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। সেই সঙ্গে তিনি সিরীয় সরকারকে এগিয়ে থেকে নেতৃত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান।








