চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বেসরকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা অত্যন্ত ‘দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আমরা আশা করি না।’
রবিবার (৫ জুন) ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরো সার্জন আয়োজিত সেমিনারে একথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল সীতাকুণ্ডে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেখানে আমরা খবর পেয়েছি যে যথেষ্ট হতাহত হয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসার জন্য সব ব্যবস্থা নিয়েছি। চটগ্রামের কয়েকটি হাসপাতালে দুই শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমাদের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট রেডি আছে, এখানেও কয়েকজন রোগী চলে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হতাহতরা সবাই বাইরে অবস্থান করছিল, দাঁড়িয়ে দেখছিল। অনেক সময় দাঁড়িয়ে দেখে কি হচ্ছে, ছবি তোলার চেষ্টা করে। বিস্ফোরণের কারণে কিন্তু এই বাইরে লোকগুলো মারা গেছেন। ভেতরে যারা ছিল তাদের বিষয়ে এখনো জানা যায়নি।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগামী বাজেটে চেষ্টা করবো, আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগ যেন বেশি বরাদ্দ পায়। আমি যতদূর জেনেছি গতবছরের তুলনায় এবার বেশি বরাদ্দ পাবে। অর্থনৈতিক মন্দার ভেতরেও আমরা আশা করি একটি জনমুখী বাজেট পাবো।’
এসময় আর উপস্থিত ছিলেন, বিএসএমএমইউ সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাচিপ মহাসচিব ডা. এম এ আজিজ প্রমুখ।
শনিবার রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের ওই বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। প্রথমে কুমিরা ও সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ একটি কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে রাসায়নিকের কন্টেইনারে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে।
এই ঘটনায় সর্বশেষ ৩৮ জনের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যার মধ্যে পাঁচ জন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী। এছাড়া আহত হয়েছেন অনেকে।









