বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছেন আন্দোলনে চিকিৎসাধীন আহতরা। এছাড়া আন্দোলনে নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করে শহীদের মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের পরিবারকে এককালীন এক কোটি টাকা দেওয়াসহ পাঁচটি অনুরোধ করেছেন তারা।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের পক্ষে এসব অনুরোধ জানান সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী মো. সালমান হোসেন।
শিক্ষার্থী সালমান বলেন, আমরা মরে যাচ্ছি। আমাদের বাঁচান। আহতদের মধ্যে এখনও অন্তত ১০০ জন পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমাদের ভাইদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না করা হলে তারা অনেকে পঙ্গু হয়ে যাবেন। সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি একটু আমাদের দিকে নজর দিন।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের প্রতি তারা যে ৫টি অনুরোধ করেন সেগুলো হলো–
১. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রাণহানির সব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করে তাদের শহীদের মর্যাদা দিতে হবে এবং নিহত সবার পরিবারকে এককালীন ক্ষতিপূরণ বাবদ এক কোটি টাকা দিতে হবে।
২. সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আহত সবার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান দিতে হবে।
৩. সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক রোগী আছেন, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাদের অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. আন্দোলনে আহতদের এককালীন ক্ষতিপূরণ ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. আহত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার যাবতীয় খরচ সরকারকে বহন করতে হবে এবং তাদের পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনা করতে হবে।









