ওমিক্রনের তাণ্ডব কিছুটা কমে এসেছে। দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমে এসেছে পাঁচ হাজারের ঘরে, শনাক্তের হারও কমছে। এর মধ্যেও দেশে গত ১২ দিনে শনাক্ত হয়েছেন এক লাখ করোনা রোগী। আর নতুন এই এক লাখ রোগীর মধ্য দিয়ে দেশে করোনাতে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হওয়া রোগী সংখ্যা ১৯ লাখ ছাড়ালো। তবে এর আগের এক লাখ অর্থাৎ, ১৮ লাখ ছাড়িয়েছিল সাতদিনে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ২৩ জন। আর তাদের নিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে করোনাতে মোট শনাক্ত রোগী সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল ১৯ লাখ। দেশে এখন করোনাতে শনাক্ত রোগী আছেন ১৯ লাখ চার হাজার ৮২৬ জন।
দেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ করোনাতে তিনজন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ( আইইডিসিআর)। তার ঠিক ১০ দিন পর করোনাতে প্রথম আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর কথাও জানায় আইইডিসিআর।
এরপর প্রায় দুই বছর ধরে চলা এ মহামারির সংক্রমণ গ্রাফে ঊর্ধ্বগতি-নিম্নমুখী সব চিত্রই দেখেছে দেশ। তবে সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা দেখা গিয়েছে গত বছরের জুন-জুলাই ও আগস্ট মাসে। ডেল্টার তাণ্ডবে সেসময়ে দেশ একদিনে সর্বোচ্চ রোগী আর সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে। তবে আগস্টের শেষদিকে এসে সংক্রমণ কমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শনাক্তের হার কমে আসে ১ শতাংশের কাছাকাছি। তবে বছর শেষে নতুন ত্রাসের জন্ম দেয় করোনার অতিসংক্রমণশীল ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ডেল্টার তুলনায় পাঁচ থেকে ছয়গুণ বেশি সংক্রমণক্ষমতা নিয়ে ওমিক্রন ছড়াতে থাকে বাতাসের গতিতে। আর চলতি বছরের মধ্য জানুয়ারি থেকে সংক্রমণ ছিল ফের ঊর্ধ্বমুখী।
সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গত ১২ জানুয়ারি সরকারি হিসাবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৬ লাখ ছাড়ায়, এর ১৩ দিন পর ২৫ জানুয়ারি শনাক্ত ছাড়িয়ে যায় ১৭ লাখ।
আর তার ঠিক সাতদিন পর ১ ফেব্রুয়ারিতে শনাক্ত রোগী সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ১৮ লাখ। তার ঠিক ১২ দিন পর শনাক্ত রোগী সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল ১৯ লাখ।







