প্রশ্ন: বিমানবন্দরে তারকা বা বিখ্যাত ব্যক্তিদের সবসময় এত ফুরফুরে লাগে কেন? অথচ সাধারণ মানুষের চোখমুখে ভর করে রাজ্যের ক্লান্তি।
উত্তর: তারকাদের ব্যক্তিগত সহকারী থাকে, যারা মালপত্র সামলায়।
সুখবর হলো, তারকা না হলেও বিমানবন্দরে একটি করে সহকারী মিলবে যে কোনও যাত্রীর। এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে কেএলএম রয়েল ডাচ এয়ারলাইন্স। নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রায়ত্ত এই আকাশসেবা প্রতিষ্ঠান ভ্রমণকারীদের সুবিধার্থে আনছে ‘কেয়ার-ই’ নামের নীল রঙা স্বচালিত ট্রলি। এখন এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।
এ বছরেই যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কের জন এফ. কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও সান ফ্রান্সিসকো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে উন্নত প্রযুক্তিটি উন্মোচন করবে কেএলএম রয়েল ডাচ এয়ারলাইন্স।
‘কেয়ার-ই’ ডাচ এয়ারলাইনের প্রযুক্তি হলেও এটি চালাতে ডাচ কিংবা ইংরেজিতে কথা বলার কোনও প্রয়োজন নেই। কেএলএম কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ভ্রমণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য পরিচিত কিছু শব্দ ব্যবহার করবে রোবটটি।
কেএলএম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেয়ার-ই রোবট শুরুতে যাত্রীর বোর্ডিং পাস স্ক্যান করবে। ৮৫ কিলোগ্রাম ওজন পর্যন্ত লাগেজ বহন করতে পারবে যন্ত্রটি। এরপর সে ভ্রমণকারীকে এগিয়ে দেবে বিমানবন্দরের ফটক পর্যন্ত।
জানা গেছে, রিয়েল টাইম ডাটা উপলব্ধিতে সক্ষম ‘কেয়ার-ই’। যদি যাত্রীর ফটক পরিবর্তন হয় তাহলে জেনে যাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তিটি। এরপর সে ভ্রমণকারীকে তা জানিয়ে দেবে।
ভ্রমণে প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে কেএলএম নতুন নয়। এর আগে আমস্টারডাম শিফল এয়ারপোর্টে স্পেনসার নামে ঘরভিত্তিক অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছিল। তবে কেয়ার-ই’র মতো ব্যাগবহনে সক্ষম ছিল না স্পেনসার।
বিমানবন্দরে রোবট আগেও দেখা গেছে। রোবট গাইড কতটা সফল হবে সেদিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ইনচিওন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও নিউ ইয়র্কের লাগার্ডিয়া এয়ারপোর্টে।
সূত্র: সিএনএন








