বিশ্বজুড়ে বিমান পরিবহন খাতের মাধ্যমে ৬ কোটি ৫৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এই খাত থেকে এসেছে ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার (২২ লাখ ৬৩ হাজার ১৪০ কোটি টাকা)। মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) প্রকাশিত এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাকশন গ্রুপের (এটিএজি) নতুন গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। এর নাম রাখা হয়েছে ‘এভিয়েশন: বেনিফিটস বিয়ন্ড বর্ডারস’।
বর্তমান বিশ্বে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত প্রভাব মোকাবিলায় বেসামরিক বিমান পরিচালনার মৌলিক ভূমিকা তুলে ধরাই ছিল নতুন এই গবেষণার লক্ষ্য। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এটিএজি বৈশ্বিক টেকসই এভিয়েশন সম্মেলনে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে।
এটিএজি নির্বাহী পরিচালক মাইকেল গিল বলেন, ‘এই পরিসংখ্যান অভূতপূর্ব। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, মানুষ এখন দ্রুততম সময়ে ভ্রমণ করতে চায়। প্রতিদিন ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রীকে (বছরে ৪০০ কোটি) ১ লাখ ২০ হাজার ফ্লাইটের মাধ্যমে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ১ কোটি নারী-পুরুষ।’
আশা করা হচ্ছে, ২০৩৬ সালের মধ্যে ৯ কোটি ৭৮ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হবে। আর এভিয়েশন খাত থেকে আসবে ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।
‘এভিয়েশন: বেনিফিটস বিয়ন্ড বর্ডারস’ গবেষণার উল্লেখযোগ্য দিক
* ৬ কোটি ৫৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এভিয়েশন খাতের অবদান ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।
* ১ কোটিরও বেশি মানুষ এভিয়েশন শিল্পের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
* বিশ্ব বাণিজ্যের ৩৫ শতাংশই নির্ভর করে বিমান পরিবহনের ওপর।
* ১৯৫০ সালে বিমান ভ্রমণে যত অর্থ ব্যয় হতো, এখন তার চেয়ে ৯০ শতাংশ কম গুনতে হয় যাত্রীদের।
* এভিয়েশন খাত কোনও দেশ হলে পৃথিবীর বৃহৎ অর্থনীতির দিক দিয়ে এটি থাকতো ২০তম স্থানে। সুইজারল্যান্ড আর আর্জেন্টিনার অর্থনীতির আকারও একই।
* অর্থনীতিতে এভিয়েশন খাতের কাজ অন্য যেকোনও কাজের চেয়ে ৪ দশমিক ৪ গুণ বেশি কার্যক্ষম।
* বিশ্বের ৫৭ শতাংশ পর্যটক বিমানে চড়ে গন্তব্যে যায়।
* বিশ্বজুড়ে ১ হাজার ৩০৩টি এয়ারলাইনস ৩১ হাজার ৭১৭টি এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে ৪৫ হাজার ৯১টি রুটে প্রতিদিন ৩ হাজার ৭৫৯টি বিমানবন্দরের মাধ্যমে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।








