মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতির প্রভাব এখনো আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে দেখা যাচ্ছে। কয়েকটি এয়ারলাইন ফ্লাইট স্থগিত বা কমিয়ে দিয়েছে, আবার কিছু এয়ারলাইন ধীরে ধীরে তাদের নিয়মিত সেবা ফিরিয়ে আনছে। ফলে বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য ভ্রমণের আগে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করা জরুরি।
বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য দুবাই, দোহা, আবুধাবি, রিয়াদ, জেদ্দা ও মাসকাট। পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে বাংলাদেশি এয়ারলাইনগুলো এসব রুটে ধীরে ধীরে ফ্লাইট চালু করেছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বর্তমানে দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, মাসকাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দায় নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার কথা জানিয়েছে।
তবে আন্তর্জাতিক কিছু এয়ারলাইন এখনো মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি রুটে ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে বা ফ্রিকোয়েন্সি কমিয়েছে। যেমন, কিছু ক্যারিয়ার দুবাই ও রিয়াদে সেবা স্থগিত রেখেছে এবং দোহা ও রিয়াদ রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশি যাত্রীদের যা জানা দরকার
টিকিট কাটার আগে: ফ্লাইটের সময় ও স্ট্যাটাস এয়ারলাইনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা হটলাইন থেকে নিশ্চিত করুন।
বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে: ফ্লাইটের সময় পরিবর্তন, বিলম্ব বা বাতিল হয়েছে কি না শেষ মুহূর্তে আবার যাচাই করুন।
ট্রানজিট যাত্রীদের সতর্কতা: দুবাই, দোহা বা অন্য কোনো মধ্যপ্রাচ্যের বিমানবন্দর হয়ে তৃতীয় দেশে গেলে কানেক্টিং ফ্লাইটের সময়সূচিও যাচাই করা জরুরি।
ফ্লাইট বাতিল হলে: এয়ারলাইনের নিয়ম অনুযায়ী রিবুকিং, রিরাউটিং বা রিফান্ডের সুযোগ থাকতে পারে।
অতিরিক্ত সময় হাতে রাখুন: বর্তমান পরিস্থিতিতে সূচি পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকায় গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ বা কানেকশন থাকলে পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখা ভালো।
সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে ফ্লাইট চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক হওয়ার পথে থাকলেও সব রুট ও সব এয়ারলাইনের পরিস্থিতি এক নয়। তাই বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, টিকিটের ওপর নির্ভর না করে যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনের সর্বশেষ আপডেট নিশ্চিত করা।









