আগামী ৩০ দিনের ভেতরে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানাকে তাদের জমিতে বানানো ১৮ তলা ভবন বুঝিয়ে দিতে হবে। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ আদেশ বুধবার প্রকাশিত হওয়ায় ৩০ দিনের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে।
বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার ও বিচারপতি এ কে এম জহুরুল হক এর বেঞ্চ ২০১৫ সালে ওই রায় দিয়েছিলেন। আদেশে উল্লেখ ছিল পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ৩০ দিনের ভেতরে সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানার জমিতে বানানো বহুতল ভবনটি তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে।
বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ওই রায়ে আজিমপুরে কনকর্ড গ্রুপ নির্মিত ১৮ তলা ভবন বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। ওই স্থাপনা ও সম্পত্তি নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানাকে বুঝিয়ে দেওয়ারও নির্দেশ দেন। এছাড়া এতিমখানার সম্পত্তি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে সরকারকে নির্দেশ দেন।
১৯০৯ সালে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ নিজ নামে এই এতিমখানাটি স্থাপন করেন। পরে সরকারের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে এতিমখানা সম্প্রসারণ করা হয়। ২০০৩ সালের ২২ জুলাই এতিমখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি বেগম শামসুন্নাহার আহসানউল্লাহ এবং সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জিএ খান এতিমখানার দুই বিঘা জমি ডেভেলপার কোম্পানি কনকর্ডকে হস্তান্তর করেন। তখন বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনগুলোর ভিত্তিতে ও এতিমখানার চার ছাত্রের পক্ষে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
আরও পড়ুন-
বর্ষবরণে শ্লীলতাহানি: কোনও ভিকটিমের বক্তব্য পায়নি পিবিআই
/ইউআই/এফএস/







