বিচার শেষ না হওয়া পৃথক চার মামলায় অর্ধযুগের বেশি সময় কারাগারে বন্দি থাকা চার নারীর মধ্যে সুমী আক্তারকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তাদের মধ্যে দু’জনের মামলার বিচার তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি একজনের জামিন প্রশ্নে রুল খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা ওই চার নারীর দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি থাকার বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের বেঞ্চ শুনানি শেষে কেন তাদের জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পাশাপাশি ১৬ জানুয়ারি তাদের আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দেন। মামলার নথিও তলব করা হয়।
এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য ও আইনজীবী আইনুন্নাহার সিদ্দিকা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ধার্য তারিখে তাদের আদালতে হাজির করা হলে শুনানির পর আদালত আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য রেখেছিলেন।’
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সুমি আক্তার রেশমাকে রাজধানীর শ্যামপুর থানার ২০০৮ সালের একটি হত্যা মামলায় ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয়। সেইন থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।
২০০৮ সাল থেকে কারাগারে আছেন নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ইলমদি গ্রামের আলম খালাসী মেয়ে শাহনাজ বেগম। ওই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর তাকে ঢাকার দোহার থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। সেই থেকে কারাগারে আছেন।
২০০৯ সালে সালের ২১ মে তুরাগ থানার একটি হত্যামামলায় গ্রেফতার করা হয় গাজীপুরের টঙ্গী থানার বেদে বহর এলাকার উকুল উদ্দিনের মেয়ে রাজিয়া লতানাকে। সেই থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
ঢাকার রমনা থানার ২০০৯ সালের একটি হত্যা মামলায় ওই বছর ২১ নভেম্বর ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার বোরকা নতুন বাজার গ্রামের রাণী ওরফে নুপুরকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।
/ইউআই/এমএনএইচ/








